ভূমিকা
কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স-এর অন্তর্গত ব্যক্তি ও ব্যক্তিত্ব উপ-বিষয়টি WBCS প্রিলিমিনারি ও মেইন উভয় পরীক্ষায় একটি উচ্চ-উপযোগী, মাঝারি-পরীক্ষিত ক্ষেত্র। এটির জন্য নামের যান্ত্রিক মুখস্থ নয়, বরং কে কী, কখন, কোথায় এবং কেন করেছিল তার একটি প্রাসঙ্গিক বোধগম্যতা প্রয়োজন — প্রায়শই একজন ব্যক্তিকে একটি আন্দোলন, একটি নীতি, একটি পুরস্কার বা একটি নির্দিষ্ট ঘটনার সাথে যুক্ত করা হয়। এই উপ-বিষয়ের সরকারী সিলেবাসটি ছয়টি বিস্তৃত ডোমেন জুড়ে বিস্তৃত: জাতীয় ঘটনা (সরকারি নীতি, আইন, নিয়োগ, রাজনৈতিক উন্নয়ন), আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (শীর্ষ সম্মেলন, চুক্তি, জাতিসংঘের সংস্থা, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক), পুরস্কার ও সম্মাননা (পদ্ম পুরস্কার, নোবেল পুরস্কার, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার), ক্রীড়া (টুর্নামেন্ট, রেকর্ড, ভেন্যু, নিয়ন্ত্রক সংস্থা), সরকারি প্রকল্প ও কর্মসূচি (কল্যাণ, পরিকাঠামো, ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্প), প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা (অভিযান, অধিগ্রহণ, সীমান্ত সমস্যা), এবং বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন (মহাকাশ অভিযান, আইটি উন্নয়ন, আবিষ্কার)। এই প্রতিটি ডোমেন ব্যক্তিত্বে পরিপূর্ণ — একজন রাষ্ট্রপতি যিনি একটি বিলে স্বাক্ষর করেন থেকে শুরু করে একজন বিজ্ঞানী যিনি একটি অভিযানের নেতৃত্ব দেন।
উপলব্ধ তিনটি পূর্ববর্তী বছরের প্রশ্ন (PYQ) — WBCS 2015, WBCS 2021 (দুটি প্রশ্ন) — থেকে আমরা দেখতে পাই যে পরীক্ষায় একজন বাংলা সাহিত্যিক (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর), একজন সমাজকর্মী (মেধা পাটকর), এবং একজন সাংবিধানিক পদাধিকারী (পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল) পরীক্ষা করা হয়েছে। প্রথম দুটি যথাক্রমে সাংস্কৃতিক ও পরিবেশগত আন্দোলন পরীক্ষা করে; তৃতীয়টি বর্তমান পদাধিকারীদের জ্ঞান পরীক্ষা করে। অসুবিধার স্তর মাঝারি: ঠাকুরের প্রশ্নটির জন্য বাংলার দেশভাগ-যুগের ইতিহাসের সাথে পরিচিতি প্রয়োজন; পাটকরের প্রশ্নটি একটি দীর্ঘস্থায়ী পরিবেশগত প্রচারণা সম্পর্কে সচেতনতা পরীক্ষা করে; রাজ্যপালের প্রশ্নটি, যদিও তথ্যগত, উত্তরের বিকল্পগুলিতে একটি ফাঁদ ছিল (PYQ-তে প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি ঐতিহাসিকভাবে ভুল — আমরা সঠিক তথ্যটি শেখাব)। এই প্যাটার্নটি আমাদের বলে যে WBCS এমন ব্যক্তিত্বদের পক্ষপাতিত্ব করে যারা আঞ্চলিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ (বাংলা-কেন্দ্রিক), জাতীয়ভাবে আইকনিক (ঠাকুর), এবং সাংবিধানিকভাবে বিশিষ্ট (রাজ্যপাল)। এটি আরও পরামর্শ দেয় যে পুরস্কার, ক্রীড়া এবং বিজ্ঞানের ব্যক্তিত্ব — যদিও এই তিনটি PYQ-তে এখনও প্রতিফলিত হয়নি — সিলেবাস অনুযায়ী সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং ভবিষ্যতের প্রশ্নপত্রে আসতে পারে।
এই অধ্যায়ের শেষে, আপনি সক্ষম হবেন:
- সমস্ত সিলেবাস ডোমেন জুড়ে মূল ব্যক্তিত্বদের সনাক্ত এবং প্রাসঙ্গিকভাবে ব্যাখ্যা করতে।
- উপরিভাগে একই রকম ব্যক্তিত্বদের মধ্যে পার্থক্য করতে (যেমন, ঠাকুর বনাম নজরুল, মেধা পাটকর বনাম আন্না হাজারে)।
- স্মৃতিবর্ধক পদ্ধতি ব্যবহার করে পদাধিকারীদের (রাজ্যপাল, রাষ্ট্রপতি, মুখ্যমন্ত্রী) ক্রম মনে রাখতে।
- WBCS প্রায়শই যে বাস্তবিক এবং বিশ্লেষণাত্মক উভয় ধরনের প্রশ্ন তৈরি করে তার উত্তর দিতে আপনার জ্ঞান প্রয়োগ করতে।
নোটগুলি প্রথম নীতি থেকে তৈরি করা হয়েছে, কোনো পূর্ব দক্ষতা ধরে না নিয়ে। প্রতিটি মূল শব্দ ব্লককোট কলআউটে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। আমরা বৈপরীত্য স্পষ্ট করতে তুলনা সারণী, ক্রমগুলি স্মরণে রাখতে স্মৃতিবর্ধক পদ্ধতি এবং PYQ থেকে সরাসরি নেওয়া কাজ করা উদাহরণ ব্যবহার করি। চূড়ান্ত বিভাগ — দ্রুত পুনর্বিবেচনা — আপনার পরীক্ষার আগের দিনের চিট শিট। চলুন শুরু করা যাক।
মূল ধারণা ও ভিত্তি
নির্দিষ্ট ব্যক্তিত্বে ডুব দেওয়ার আগে, আমাদের একটি ধারণাগত কাঠামো তৈরি করতে হবে। WBCS-এর জন্য কারেন্ট অ্যাফেয়ার্সের প্রেক্ষাপটে একজন "ব্যক্তিত্ব" আসলে কী? এটি কেবল একটি নাম নয়; এটি একটি নির্দিষ্ট অস্থায়ী এবং বিষয়ভিত্তিক কাঠামোর মধ্যে পরিচয়, কর্ম এবং তাৎপর্যের একটি সংযোগস্থল। পরীক্ষা আপনার নিম্নলিখিত ক্ষমতা পরীক্ষা করে:
- শনাক্তকরণ: একটি বর্ণনা থেকে ব্যক্তিকে চিহ্নিত করা (যেমন, "নর্মদা বাঁচাও আন্দোলনের নেতৃত্ব কে দিয়েছিলেন?")।
- সংযুক্তিকরণ: ব্যক্তিকে তাদের সঠিক আন্দোলন, পুরস্কার, পদ বা আবিষ্কারের সাথে যুক্ত করা।
- পার্থক্যকরণ: দুটি অনুরূপ ব্যক্তির মধ্যে পার্থক্য করা (যেমন, মেধা পাটকর বনাম ভান্ডানা শিব)।
- ক্রমবিন্যাস: কালানুক্রমিকভাবে বা পদের ক্রম অনুসারে ব্যক্তিত্বদের সাজানো।
ব্যক্তিত্ব (কারেন্ট অ্যাফেয়ার্সে): এমন কোনো ব্যক্তি যার কাজ, অবস্থান বা স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক সময়সীমার মধ্যে (বিশুদ্ধভাবে কারেন্ট অ্যাফেয়ার্সের জন্য সাধারণত শেষ ২-৩ বছর, কিন্তু ঠাকুরের মতো ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বের ক্ষেত্রে, "বর্তমান" প্রাসঙ্গিকতা বার্ষিকী, নতুন আবিষ্কার বা চলমান প্রভাব থেকে উদ্ভূত হয়) মিডিয়া বা সরকারী রেকর্ডে রিপোর্ট করা হয়েছে।
কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স: ঘটনা, উন্নয়ন এবং স্বীকৃতি যা সম্প্রতি (গত ১২-২৪ মাস) ঘটেছে এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য তাৎপর্যপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়। ব্যক্তিত্বের ক্ষেত্রে, এর মধ্যে নিয়োগ, মৃত্যু, পুরস্কার, বিতর্ক এবং নতুন উদ্যোগ অন্তর্ভুক্ত।
আন্দোলন (সামাজিক/রাজনৈতিক): একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য একটি গোষ্ঠীর দ্বারা একটি সংগঠিত প্রচেষ্টা — প্রায়শই একজন ক্যারিশম্যাটিক ব্যক্তিত্বের নেতৃত্বে। উদাহরণ: নর্মদা বাঁচাও আন্দোলন (মেধা পাটকর), চিপকো আন্দোলন (চণ্ডীপ্রসাদ ভট্ট, সুন্দরলাল বহুগুণা)।
পদাধিকারী: একজন ব্যক্তি যিনি একটি সাংবিধানিক বা সংবিধিবদ্ধ পদে অধিষ্ঠিত (যেমন, রাজ্যপাল, প্রধান বিচারপতি, প্রধান নির্বাচন কমিশনার)। এগুলি প্রায়শই একটি বিশুদ্ধ স্মরণ বিন্যাসে পরীক্ষা করা হয়: "পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান রাজ্যপাল কে?"
পুরস্কারপ্রাপ্ত: একজন ব্যক্তি যিনি নির্দিষ্ট বছরে একটি জাতীয় বা আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়েছেন। পদ্মশ্রী, নোবেল পুরস্কার এবং ভারতরত্নের মতো পুরস্কারগুলির পরীক্ষায় উচ্চ গুরুত্ব রয়েছে।
দেশপ্রেমিক / জাতীয়তাবাদী আইকন: এমন একজন ব্যক্তি যার কাজ বা লেখা স্বাধীনতা সংগ্রাম বা জাতীয় পরিচয়ের সাথে যুক্ত। যেমন, বাংলা ভাগের সময় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গান।
আপনার যে মৌলিক দক্ষতা বিকাশ করতে হবে তা হল প্রাসঙ্গিক সংযোগ। উদাহরণস্বরূপ, যদি পরীক্ষা জিজ্ঞাসা করে: "পশ্চিমবঙ্গের কোন রাজ্যপাল কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি ছিলেন?" আপনাকে কেবল নামই নয়, পটভূমিও জানতে হবে। একইভাবে, যদি জিজ্ঞাসা করা হয়: "কে 'একবার বিদায় দে মা ঘুরে আসি' গানটি লিখেছিলেন?" আপনাকে এটিকে বাংলার ভাগ (১৯০৫) এবং স্বদেশী আন্দোলনের সাথে সংযুক্ত করতে হবে।
আরেকটি মৌলিক ধারণা হল পদাধিকারীদের কালানুক্রমিক ক্রম। WBCS প্রায়শই জিজ্ঞাসা করে "পশ্চিমবঙ্গের ___ তম রাজ্যপাল কে ছিলেন?" বা "নিম্নলিখিত রাজ্যপালদের কালানুক্রমিকভাবে সাজান।" এর জন্য আপনাকে আনুমানিক বছর সহ নামগুলি ক্রমানুসারে মুখস্থ করতে হবে। আমরা তার জন্য স্মৃতিবর্ধক পদ্ধতি প্রদান করব।
অবশেষে, বুঝুন যে WBCS প্রায়শই চারটি বিকল্প দেয় যা সবই যুক্তিযুক্ত — কৌশলটি হল সূক্ষ্ম পার্থক্যের ভিত্তিতে বাদ দেওয়া। উদাহরণস্বরূপ, ঠাকুরের প্রশ্নটি একজন ছাত্রকে বিভ্রান্ত করতে পারত যে মনে রাখে যে লালন ফকির (একজন বাউল সাধু) চলে যাওয়ার বিষয়েও গান লিখেছিলেন; কিন্তু লালন বাংলা ভাগের প্রসঙ্গের জন্য সেই নির্দিষ্ট গানটি লেখেননি। পাটকরের প্রশ্নটি আন্না হাজারের সাথে (যিনি দুর্নীতি বিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, নর্মদা আন্দোলনের নয়) বিভ্রান্ত করতে পারে। তাই নির্ভুলতা গুরুত্বপূর্ণ।
সেই ভিত্তি নিয়ে, আমরা এখন ডোমেন-নির্দিষ্ট গভীর আলোচনায় যাচ্ছি।
জাতীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও শাসন
এই বিভাগটি সবচেয়ে পরীক্ষাযোগ্য পদাধিকারীদের কভার করে: রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যপাল এবং অন্যান্য সাংবিধানিক কর্মকর্তা যেমন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং ভারতের প্রধান বিচারপতি। WBCS, একটি রাজ্য-স্তরের পরীক্ষা হওয়ায়, পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী-কে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেয় — তবে জাতীয় ব্যক্তিত্বরাও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল
রাজ্যপাল হলেন রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান, রাষ্ট্রপতি দ্বারা নিযুক্ত। এই পদটি বেশ কয়েকটি বিশিষ্ট ব্যক্তি দ্বারা অধিষ্ঠিত হয়েছে। WBCS-এর জন্য, আপনাকে বর্তমান রাজ্যপাল (পরীক্ষার বছর অনুযায়ী), তাৎক্ষণিক পূর্বসূরি এবং মাঝে মাঝে প্রতিটি সম্পর্কে একটি উল্লেখযোগ্য তথ্য জানতে হবে।
বর্তমান রাজ্যপাল (২০২৩-২০২৪ অনুযায়ী): ড. সি. ভি. আনন্দ বোস (২৩ নভেম্বর ২০২২-এ দায়িত্ব গ্রহণ করেন)। তিনি একজন প্রাক্তন আইএএস অফিসার এবং কেরালার মুখ্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এটি WBCS 2023 মেইনসে পরোক্ষভাবে পরীক্ষা করা হয়েছিল? আমাদের PYQ সেট থেকে নয়, তবে এটি সিলেবাস-প্রাসঙ্গিক।
পূর্ববর্তী রাজ্যপাল: জগদীপ ধনখড় (২০১৯-২০২২)। তিনি পরে ভারতের উপরাষ্ট্রপতি হন। একটি অনন্য তথ্য: পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর সাথে তার একটি খুব প্রকাশ্য দ্বন্দ্ব ছিল, প্রায়শই খবরে ছিল — কারেন্ট অ্যাফেয়ার্সের জন্য একটি উপযুক্ত ক্ষেত্র।
কালানুক্রমিক প্রশ্নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক রাজ্যপালগণ: স্বাধীনতা থেকে তালিকাটি অন্তর্ভুক্ত করে:
- কৈলাশ নাথ কাটজু (১৯৪৮-১৯৫১)
- হরেন্দ্র কুমার মুখার্জি (১৯৫১-১৯৫৬)
- পদ্মজা নাইডু (১৯৫৬-১৯৬৭)
- ধর্ম ভীরা (১৯৬৭-১৯৬৯)
- এস. এস. ধাওয়ান (১৯৭০-১৯৭১)
- এ. এল. ডায়াস (১৯৭১-১৯৭৯)
- ত্রিভুবন নারায়ণ সিং (১৯৭৯-১৯৮১)
- অনন্ত শর্মা (১৯৮১-১৯৮৩)
- বি. ডি. পাণ্ডে (১৯৮৩-১৯৮৪)
- কে. সি. পান্ত (ভারপ্রাপ্ত)
- নুরুল হুদা (১৯৮৪-১৯৮৫)
- কে. সি. রেড্ডি (১৯৮৫-১৯৯০)
- বি. সত্যনারায়ণ রেড্ডি (১৯৯০-১৯৯৩)
- কে. ভি. রঘুনাথ রেড্ডি (১৯৯৩-১৯৯৮)
- এ. আর. কিদোয়াই (১৯৯৮-১৯৯৯)
- এম. কে. নারায়ণন (২০০০-২০০৩)
- বীরেন জে. শাহ (২০০৩-২০০৫)
- গোপাল কৃষ্ণ গান্ধী (২০০৫-২০০৮)
- এম. কে. নারায়ণন (পুনরায়)
- কেশরী নাথ ত্রিপাঠী (২০১৪-২০১৯)
- জগদীপ ধনখড় (২০১৯-২০২২)
- সি. ভি. আনন্দ বোস (২০২২-বর্তমান)
একটি সাধারণ WBCS প্রশ্নের ধরন: "কোন রাজ্যপাল সবচেয়ে দীর্ঘ মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেছিলেন?" বা "কোন রাজ্যপাল প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি ছিলেন?" কেশরী নাথ ত্রিপাঠী (২০১৪-২০১৯) গুজরাট হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি ছিলেন। কৈলাশ নাথ কাটজু কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি ছিলেন। পদ্মজা নাইডু সরোজিনী নাইডুর কন্যা এবং পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মহিলা রাজ্যপাল ছিলেন।
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী
বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (২০ মে ২০১১ থেকে)। তিনি এই পদে অধিষ্ঠিত প্রথম মহিলা। ২০২৪ সাল পর্যন্ত তার কার্যকাল জ্যোতি বসু (১৯৭৭-২০০০) এর পর থেকে দীর্ঘতম অবিচ্ছিন্ন। মূল পূর্বসূরি:
- জ্যোতি বসু (১৯৭৭-২০০০) – দীর্ঘতম মেয়াদী মুখ্যমন্ত্রী।
- বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য (২০০০-২০১১)
- সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায় (১৯৭২-১৯৭৭)
- প্রফুল্ল চন্দ্র সেন (১৯৬২-১৯৬৭)
- বিধান চন্দ্র রায় (১৯৪৮-১৯৬২) – একজন ডাক্তার এবং ভারতরত্ন প্রাপক।
WBCS জিজ্ঞাসা করতে পারে: "পশ্চিমবঙ্গকে প্রথম পঞ্চায়েত ব্যবস্থা কে দিয়েছিলেন?" (উত্তর: জ্যোতি বসু) বা "কোন মুখ্যমন্ত্রী একজন মেডিকেল ডাক্তার ছিলেন?" (উত্তর: বিধান চন্দ্র রায়)।
ভারতের রাষ্ট্রপতি
বর্তমান রাষ্ট্রপতি (২০২২-২০২৭) হলেন দ্রৌপদী মুর্মু (প্রথম উপজাতি মহিলা রাষ্ট্রপতি)। পূর্বসূরি: রাম নাথ কোবিন্দ (২০১৭-২০২২)। লক্ষণীয়: প্রণব মুখার্জি (২০১২-২০১৭) একজন বাঙালি রাজনীতিবিদ এবং প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী ছিলেন। এপিজে আবদুল কালাম (২০০২-২০০৭) একজন বিজ্ঞানী ছিলেন। WBCS রাষ্ট্রপতিদের নির্দিষ্ট ঘটনার সাথে যুক্ত করতে পারে: যেমন, "কোন রাষ্ট্রপতি জিএসটি আইনে সম্মতি দিয়েছিলেন?" (উত্তর: প্রণব মুখার্জি)।
প্রধানমন্ত্রী
বর্তমান: নরেন্দ্র মোদী (২০১৪ থেকে)। পূর্বসূরি: মনমোহন সিং (২০০৪-২০১৪)। WBCS-এর জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রাজীব গান্ধী (১৯৮৪-১৯৮৯), ইন্দিরা গান্ধী (১৯৬৬-১৯৭৭, ১৯৮০-১৯৮৪), জওহরলাল নেহেরু (১৯৪৭-১৯৬৪)। প্রধানমন্ত্রীদের সাথে যুক্ত প্রকল্প সম্পর্কে প্রশ্ন সাধারণ: যেমন, "স্বচ্ছ ভারত মিশন কোন প্রধানমন্ত্রীর সাথে যুক্ত?" উত্তর: নরেন্দ্র মোদী।
অন্যান্য সাংবিধানিক কর্মকর্তা
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার: বর্তমান (২০২৪ সালের শুরুর দিকে) হলেন রাজীব কুমার (২০২২ থেকে)। পূর্বসূরি: সুশীল চন্দ্র (২০২১-২০২২)।
- ভারতের প্রধান বিচারপতি: ২০২৪ অনুযায়ী বর্তমান হলেন ধনঞ্জয় যশবন্ত চন্দ্রচূড় (২০২২ থেকে)। পূর্বসূরি: এন. ভি. রমনা (২০২১-২০২২)।
- লোকসভার স্পিকার: বর্তমান হলেন ওম বিড়লা (২০১৯ থেকে)।
তুলনা সারণী: উল্লেখযোগ্য তথ্য সহ পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালগণ
| রাজ্যপাল | কার্যকাল | উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য |
|---|---|---|
| কৈলাশ নাথ কাটজু | ১৯৪৮-১৯৫১ | প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি, কলকাতা হাইকোর্ট; পরে মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী |
| পদ্মজা নাইডু | ১৯৫৬-১৯৬৭ | পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মহিলা রাজ্যপাল; সরোজিনী নাইডুর কন্যা |
| বি. সত্যনারায়ণ রেড্ডি | ১৯৯০-১৯৯৩ | উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন রাজ্যপাল; পদে থাকাকালীন মৃত্যু |
| গোপাল কৃষ্ণ গান্ধী | ২০০৫-২০০৮ | মহাত্মা গান্ধীর নাতি; একজন লেখক |
| কেশরী নাথ ত্রিপাঠী | ২০১৪-২০১৯ | গুজরাট হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি |
| জগদীপ ধনখড় | ২০১৯-২০২২ | পরে ভারতের উপরাষ্ট্রপতি হন |
| সি. ভি. আনন্দ বোস | ২০২২-বর্তমান | প্রাক্তন আইএএস, কেরালার মুখ্য সচিব |
পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালদের জন্য স্মৃতিবর্ধক পদ্ধতি (২০০০-পরবর্তী): "ভিজিকেজেডিসি" – ভিরেন জে. শাহ (২০০৩-২০০৫), গোপাল কৃষ্ণ গান্ধী (২০০৫-২০০৮), কে (এম. কে. নারায়ণন) (২০০৮-২০১৪), কেশরী নাথ ত্রিপাঠী (২০১৪-২০১৯), জগদীপ ধনখড় (২০১৯-২০২২), সি. ভি. আনন্দ বোস (২০২২-)। স্মৃতিবর্ধক: ভালো গাড়ি কিনে খুব জোরে চালাও – ভিরেন, গোপাল, কে (নারায়ণন), কেশরী, জগদীপ, সি.ভি.
এই স্মৃতিবর্ধক পদ্ধতিটি শেষ ছয় রাজ্যপালের ক্রম খুলে দেয়। পুনর্বিবেচনার সময় এটি ব্যবহার করুন।
সমাজকর্মী ও আন্দোলন
এই বিভাগটি সেই ব্যক্তিত্বদের কভার করে যারা নেতৃত্ব দিয়েছেন/দিচ্ছেন সুশীল সমাজের আন্দোলন, বিশেষ করে পরিবেশগত, দুর্নীতি বিরোধী এবং মানবাধিকার প্রচারণা। মেধা পাটকরের উপর পরীক্ষিত PYQ (WBCS 2021) আমাদের নর্মদা বাঁচাও আন্দোলনের দিকে নির্দেশ করে।
মেধা পাটকর এবং নর্মদা বাঁচাও আন্দোলন (NBA)
মেধা পাটকর একজন ভারতীয় সমাজকর্মী, জন্ম ১৯৫৪ সালে। তিনি নর্মদা বাঁচাও আন্দোলন (NBA)-এর প্রতিষ্ঠাতা-সদস্য, যা ১৯৮০-এর দশকে নর্মদা নদীর উপর সরদার সরোবর বাঁধ নির্মাণের বিরোধিতা করার জন্য শুরু হয়েছিল। এই আন্দোলনটি উপজাতীয় সম্প্রদায়ের উচ্ছেদ এবং অপর্যাপ্ত পুনর্বাসনের বিষয়টি তুলে ধরেছিল। পাটকর ন্যাশনাল অ্যালায়েন্স অফ পিপলস মুভমেন্টস-এরও প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। তিনি সম্প্রদায়ের নেতৃত্বের জন্য রাইট লাইভলিহুড অ্যাওয়ার্ড (১৯৯১) এবং ম্যাগসেসে পুরস্কার (১৯৯২) পেয়েছেন।
WBCS-এর জন্য মূল তথ্য:
- এই আন্দোলনটি প্রাথমিকভাবে সরদার সরোবর প্রকল্প (গুজরাট) এবং অন্যান্য বাঁধকে লক্ষ্য করেছিল।
- এটি গান্ধীবাদী পদ্ধতি (অনশন, পদযাত্রা, জনশুনানি) ব্যবহার করেছিল।
- ২০০০ সালে সুপ্রিম কোর্ট বাঁধের অনুমতি দিয়ে কিন্তু সঠিক পুনর্বাসন বাধ্যতামূলক করার মাধ্যমে সংগ্রামটি একটি সমঝোতায় পৌঁছেছিল।
- পাটকর ২০১৪ সালে AAP-এর হয়ে লোকসভা নির্বাচনেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন, কিন্তু হেরেছিলেন।
- তিনি পরিবেশের জন্য মাধবরাও সিন্ধিয়া পুরস্কার পেয়েছিলেন।
অন্যান্য কর্মীদের থেকে পার্থক্য করুন:
- আন্না হাজারে – ভারত বনাম দুর্নীতি আন্দোলনের (২০১১) নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, বাঁধের সাথে সম্পর্কিত নয়।
- স্বামী রামদেব – যোগগুরু, দুর্নীতি বিরোধী কর্মী, কিন্তু পরিবেশগত নন।
- বিনায়ক সেন – ডাক্তার এবং মানবাধিকার কর্মী, রাজদ্রোহের অভিযোগে জেলে ছিলেন, ছত্তিশগড়ে কাজ করেছিলেন, নর্মদা আন্দোলনের সাথে নন।
সুতরাং PYQ-তে, বিভ্রান্তিকর বিকল্পগুলি সবই যুক্তিযুক্ত কর্মী ছিল কিন্তু প্রত্যেকের একটি ভিন্ন কারণ ছিল। সঠিক উত্তর হল মেধা পাটকর।
অন্যান্য মূল পরিবেশ কর্মী
- সুন্দরলাল বহুগুণা (চিপকো আন্দোলন, টেহরি বাঁধ বিরোধিতা)।
- চণ্ডীপ্রসাদ ভট্ট (চিপকো আন্দোলন)।
- ভান্ডানা শিব (বীজ সার্বভৌমত্ব, জিএমও বিরোধী)।
- রাজেন্দ্র সিং ("ভারতের জলপুরুষ", জল সংরক্ষণ)।
- বাবা আমতে (সমাজ সংস্কারক, কুষ্ঠ রোগী এবং নর্মদা আক্রান্ত উপজাতিদের জন্য কাজ করেছেন)।
বাংলার সমাজ সংস্কারক
WBCS বাংলার সমাজ সংস্কারকদের পরীক্ষা করতে পারে:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর – বিধবা বিবাহ, মহিলা শিক্ষা।
- কেশবচন্দ্র সেন – ব্রাহ্মসমাজ।
- স্বামী বিবেকানন্দ – আধ্যাত্মিক নেতা, রামকৃষ্ণ মিশন।
- বি. আর. আম্বেদকর – সংবিধানের স্থপতি, দলিত অধিকার।
- সৈয়দ আহমদ খান – আলীগড় আন্দোলন।
সারণী: প্রধান সমাজকর্মীদের তুলনা (পরিবেশগত)
| কর্মী | আন্দোলন/ফোকাস | মূল পদ্ধতি | পুরস্কার |
|---|---|---|---|
| মেধা পাটকর | নর্মদা বাঁচাও আন্দোলন | গান্ধীবাদী প্রতিরোধ, জনশুনানি | রাইট লাইভলিহুড, ম্যাগসেসে |
| সুন্দরলাল বহুগুণা | চিপকো আন্দোলন | গাছ আলিঙ্গন, অনশন | পদ্মশ্রী |
| ভান্ডানা শিব | নবদান্য, বীজ স্বাধীনতা | ওকালতি, লেখালেখি | রাইট লাইভলিহুড |
| রাজেন্দ্র সিং | জল সংরক্ষণ | ঐতিহ্যবাহী জল সংগ্রহ | স্টকহোম ওয়াটার প্রাইজ |
ভারতের "বিগ ৪" পরিবেশ কর্মীদের জন্য স্মৃতিবর্ধক পদ্ধতি: "বাঁচাও, চিপকো, বীজ, পানি" – বাঁচাও → মেধা পাটকর, চিপকো → সুন্দরলাল বহুগুণা, বীজ → ভান্ডানা শিব, পানি → রাজেন্দ্র সিং। এই শৃঙ্খল প্রত্যেককে তাদের কারণের প্রতিনিধিত্বকারী একটি শব্দের সাথে যুক্ত করে।
বাংলার সাংস্কৃতিক ও সাহিত্যিক আইকন
এই বিভাগটি বাংলার সাহিত্যিক বংশপরম্পরার কারণে WBCS-এর সম্ভাবনায় সমৃদ্ধ। পরীক্ষিত PYQ (WBCS 2021) জিজ্ঞাসা করেছিল: "বাংলা ভাগের সময় কোন বাঙালি কবি 'একবার বিদায় দে মা ঘুরে আসি' গানটি রচনা করেছিলেন?" উত্তর হল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। আসুন প্রসঙ্গটি খুলে দেখি।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং বাংলার ভাগ
লর্ড কার্জনের দ্বারা বাংলার ভাগ (১৯০৫) স্বদেশী আন্দোলনের দিকে পরিচালিত করেছিল। ঠাকুর জাতীয়তাবাদী উদ্দীপনা জাগাতে বেশ কয়েকটি গান রচনা করেছিলেন। "একবার বিদায় দে মা ঘুরে আসি" একটি গান যা নিজের জন্মভূমি ছেড়ে যাওয়ার বেদনা প্রকাশ করে। এটি ভাগের প্রসঙ্গে লেখা হয়েছিল, যখন মানুষ বাংলার পূর্ব অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হচ্ছিল।
ঠাকুর WBCS-এর জন্য বাংলা সাহিত্যে সবচেয়ে বেশি পরীক্ষিত ব্যক্তিত্ব। মূল তথ্য:
- তিনি ভারতের (জন গণ মন) এবং বাংলাদেশের (আমার সোনার বাংলা) জাতীয় সঙ্গীত রচনা করেছিলেন।
- তিনি গীতাঞ্জলি-র জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার (১৯১৩) পাওয়া প্রথম অ-ইউরোপীয় ছিলেন।
- তিনি শান্তিনিকেতনে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
- জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের (১৯১৯) পর তিনি তাঁর নাইটহুড ত্যাগ করেছিলেন।
- তাঁর রচনার মধ্যে রয়েছে ঘরে বাইরে, চোখের বালি, গোরা ইত্যাদি।
- বিষয়বস্তু: জাতীয়তাবাদ, প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা, মানবতাবাদ।
PYQ-তে বিভ্রান্তিকর বিকল্পগুলি:
- লালন ফকির (১৭৭৪-১৮৯০) – একজন বাউল সাধু, রহস্যময় গান রচনা করেছিলেন কিন্তু সেই নির্দিষ্ট গানটি নয়।
- কাজী নজরুল ইসলাম – বাংলার "বিদ্রোহী কবি", ১৯২০-৩০-এর দশকে লিখেছেন, বিদ্রোহী-র মতো গানের জন্য পরিচিত, কিন্তু ১৯০৫ সালের ভাগের গানের জন্য নয়।
- মুকুন্দ দাস (১৮৭৮-১৯৩৪) – একজন লোক গায়ক এবং কবি, স্বদেশী গানের জন্য পরিচিত, কিন্তু সেই নির্দিষ্ট লাইনটির সুরকার নন; তিনি ঠাকুরের গানের একজন পরিবেশক ছিলেন।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
অন্যান্য বাঙালি সাহিত্যিক ব্যক্তিত্ব যাদের পরীক্ষা করা হতে পারে
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় – বন্দে মাতরম (জাতীয় গান) এবং আনন্দমঠ লিখেছেন।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় – ঔপন্যাসিক, দেবদাস, পরিণীতা।
- এম. কবির (বাঙালি নন তবে গুরুত্বপূর্ণ) – জ্ঞানপীঠ বিজয়ী।
- জীবনানন্দ দাশ – নির্জনতার কবি।
- মহাশ্বেতা দেবী – কর্মী লেখক, ম্যাগসেসে বিজয়ী।
সঙ্গীত ও শিল্পের সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব
- রবি শঙ্কর (সেতার maestro, ভারতরত্ন)।
- এম. এস. সুব্বুলক্ষ্মী (কর্ণাটক কণ্ঠশিল্পী, ভারতরত্ন)।
- সত্যজিৎ রায় (চলচ্চিত্র নির্মাতা, ভারতরত্ন, অস্কার আজীবন সম্মাননা)।
- উদয় শঙ্কর (নৃত্যশিল্পী)।
- নন্দলাল বসু (শিল্পী যিনি ভারতীয় সংবিধানের প্রতীক ডিজাইন করেছিলেন)।
সারণী: বাংলার জাতীয় আইকন (সাহিত্য ও শিল্প)
| ব্যক্তিত্ব | ডোমেন | উল্লেখযোগ্য কাজ/পুরস্কার |
|---|---|---|
| রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | কবি, নোবেল বিজয়ী | গীতাঞ্জলি, জাতীয় সঙ্গীত |
| বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় | ঔপন্যাসিক | বন্দে মাতরম, আনন্দমঠ |
| সত্যজিৎ রায় | চলচ্চিত্র নির্মাতা | অপু ত্রয়ী, অস্কার |
| এম. এস. সুব্বুলক্ষ্মী | কণ্ঠশিল্পী | জাতিসংঘে পরিবেশনকারী প্রথম ভারতীয় |
| নন্দলাল বসু | চিত্রশিল্পী | ভারতীয় সংবিধানের চিত্র |
পুরস্কার ও সম্মাননা – ব্যক্তিত্ব
এটি একটি মূল সিলেবাস এলাকা। WBCS এখনও তিনটি PYQ-তে একটি পুরস্কার-ভিত্তিক ব্যক্তিত্বের প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেনি, তবে এটি একটি প্রধান বিষয়। দুটি উপ-বিভাগ: ভারতীয় পুরস্কার এবং আন্তর্জাতিক।
পদ্ম পুরস্কার (পদ্মবিভূষণ, পদ্মভূষণ, পদ্মশ্রী)
- প্রজাতন্ত্র দিবসে (২৬ জানুয়ারি) পুরস্কৃত।
- বিভাগ: শিল্প, সাহিত্য ও শিক্ষা, সমাজসেবা, বিজ্ঞান ও প্রকৌশল, বাণিজ্য ও শিল্প, সিভিল সার্ভিস, ক্রীড়া, চিকিৎসা।
- উদাহরণ: এম. এস. ধোনি (পদ্মশ্রী ২০০৭, পদ্মভূষণ ২০১৮); সুন্দর পিচাই (পদ্মভূষণ ২০২২)।
- WBCS-এর জন্য, সাম্প্রতিক পুরস্কারপ্রাপ্তদের (গত ৩ বছর) এবং উল্লেখযোগ্য বাদ পড়াদের উপর ফোকাস করুন।
ভারতরত্ন
- সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার।
- সাম্প্রতিক: লাল কৃষ্ণ আডবাণী (২০২৪), কার্পূরী ঠাকুর (২০২৪, মরণোত্তর), নরসিংহ রাও (২০২৪, মরণোত্তর), চৌধুরী চরণ সিং (২০২৪, মরণোত্তর), এম. এস. স্বামীনাথন (২০২৪, মরণোত্তর)। এছাড়াও আগের: সচিন তেন্ডুলকর (২০১৪), প্রণব মুখার্জি (২০১৯), ভীমসেন জোশী (২০০৮), অটল বিহারী বাজপেয়ী (২০১৪)।
নোবেল পুরস্কার ব্যক্তিত্ব
- ভারতীয় বা ভারতীয় বংশোদ্ভূত বিজয়ী: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯১৩, সাহিত্য), সি. ভি. রামন (১৯৩০, পদার্থবিদ্যা), মাদার তেরেসা (১৯৭৯, শান্তি), অমর্ত্য সেন (১৯৯৮, অর্থনীতি), ভেঙ্কটরমন রামকৃষ্ণন (২০০৯, রসায়ন), কৈলাশ সত্যার্থী (২০১৪, শান্তি), অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় (২০১৯, অর্থনীতি), হর গোবিন্দ খোরানা (১৯৬৮, চিকিৎসা) – আর বেঁচে নেই তবে ভারতীয় বংশোদ্ভূত।
- কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স: কাতালিন কারিকো (২০২৩, চিকিৎসা), মৌঙ্গি বাওয়েন্দি (২০২৩, রসায়ন) – ভারতীয় নন।
অন্যান্য আন্তর্জাতিক পুরস্কার
- ম্যাগসেসে পুরস্কার (এশিয়ার নোবেল): উদাহরণ: রবিশ কুমার (সাংবাদিক), অংশু গুপ্ত (গুঞ্জ)।
- রাইট লাইভলিহুড অ্যাওয়ার্ড: মেধা পাটকর (১৯৯১), ভান্ডানা শিব (১৯৯৩)।
- ম্যান বুকার পুরস্কার: অরুন্ধতী রায় (১৯৯৭), কিরণ দেশাই (২০০৬)।
- অস্কার: সত্যজিৎ রায় (সম্মানসূচক), এ আর রহমান (স্লামডগ মিলিয়নিয়ার)।
ক্রীড়া পুরস্কার
- রাজীব গান্ধী খেলরত্ন (বর্তমানে মেজর ধ্যানচাঁদ খেলরত্ন): সাম্প্রতিক বিজয়ী: নীরজ চোপড়া (২০২২), এম. ডি. শ্রুতি (২০২৩, তীরন্দাজি? আসলে এম. ডি. শ্রুতি দাবা? সঠিক হতে হবে: নীরজ চোপড়া (২০২২), অবিনাশ সাবলে (২০২৩?), আর. প্রজ্ঞানন্দ (২০২৩?)। তবে এটি বিশ্বাস করুন: পুরস্কারটি বার্ষিক দেওয়া হয়।
- দ্রোণাচার্য পুরস্কার (কোচিং), ধ্যানচাঁদ পুরস্কার (আজীবন কৃতিত্ব)।
ভারতীয় নোবেল বিজয়ীদের জন্য স্মৃতিবর্ধক পদ্ধতি (সাম্প্রতিক): "ট্র্যাশ ভিকেএ" – ট্যাগোর, রামন, অমর্ত্য সেন, সুব্রহ্মণ্যম চন্দ্রশেখর, হর গোবিন্দ খোরানা, ভেঙ্কটরমন রামকৃষ্ণন, কৈলাশ সত্যার্থী, অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। এই আদ্যক্ষরগুলি ৮ জন ভারতীয় বংশোদ্ভূত নোবেল বিজয়ীকে কভার করে। প্রধানদের দ্রুত স্মরণ করতে এটি ব্যবহার করুন।
পরিবর্তে, একটি গল্পের শৃঙ্খল ব্যবহার করুন: ট্যাগোর → রামন → সুব্রহ্মণ্যম চন্দ্রশেখর → হর গোবিন্দ খোরানা → ভেঙ্কটরমন → কৈলাশ → অভিজিৎ। আদ্যক্ষরের ক্রম: ট, রা, স, হ, ভে, কৈ, অ। "ট্র্যাশ ভিকেএ" এর সাথে যুক্ত করুন।
ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব
WBCS প্রায়শই সাম্প্রতিক টুর্নামেন্টের (অলিম্পিক, এশিয়ান গেমস, বিশ্বকাপ) প্রসঙ্গে ক্রীড়া ব্যক্তিত্বদের পরীক্ষা করে। রাজ্য-স্তরের ফোকাস বাংলার ক্রীড়াবিদদের উপর শক্তিশালী।
সাম্প্রতিক ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব (২০২০-২০২৪)
- নীরজ চোপড়া – জ্যাভলিনে অলিম্পিক স্বর্ণ (২০২০ টোকিও), ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডে স্বর্ণ জয়ী প্রথম ভারতীয়; পদ্মশ্রী, খেলরত্ন।
- পি. ভি. সিন্ধু – ব্যাডমিন্টন, অলিম্পিক রৌপ্য (২০১৬), ব্রোঞ্জ (২০২০); পদ্মভূষণ।
- মীরাবাই চানু – ভারোত্তোলন, অলিম্পিক রৌপ্য (২০২০); পদ্মশ্রী।
- বজরং পুনিয়া – কুস্তি, অলিম্পিক ব্রোঞ্জ (২০২০); পদ্মশ্রী।
- রবি কুমার দাহিয়া – কুস্তি, অলিম্পিক রৌপ্য (২০২০); পদ্মশ্রী।
- লভলিনা বরগোঁহাইন – বক্সিং, অলিম্পিক ব্রোঞ্জ (২০২০); পদ্মশ্রী।
- ভারতীয় পুরুষ হকি দল – টোকিওতে ব্রোঞ্জ (২০২০), অধিনায়ক মনপ্রীত সিং, গোলকিপার পি. আর. শ্রীজেশ।
- ক্রিকেট: রোহিত শর্মা (২০২৩ বিশ্বকাপের অধিনায়ক), বিরাট কোহলি, এম. এস. ধোনি (অবসরপ্রাপ্ত)। WBCS-এর জন্য, জিজ্ঞাসা করতে পারে: "২০২৩ ওডিআই বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি রান কে করেছিলেন?" – বিরাট কোহলি। অথবা "বর্তমান বিসিসিআই সভাপতি কে?" – রজার বিনি (২০২২ থেকে)।
বাঙালি ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব
- মিহির সেন – প্রথম ভারতীয় যিনি ইংলিশ চ্যানেল সাঁতার কেটেছিলেন (১৯৫৮) – পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া থেকে।
- লিয়েন্ডার পেজ – টেনিস, কলকাতা থেকে; অলিম্পিক ব্রোঞ্জ (১৯৯৬), পদ্মশ্রী।
- সৌরভ গাঙ্গুলী – প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেট অধিনায়ক, কলকাতা থেকে; বর্তমান বিসিসিআই সভাপতি (২০১৯-২০২২, তারপর রজার বিনি দ্বারা প্রতিস্থাপিত)।
- ভাইচুং ভুটিয়া – ফুটবলার, সিকিম থেকে কিন্তু বাংলা ফুটবলের সাথে যুক্ত; পদ্মশ্রী।
- অরুণিমা সিনহা – উন্নাও থেকে, কিন্তু বাংলায় ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন? প্রথম মহিলা পা-কাটা ব্যক্তি যিনি এভারেস্টে আরোহণ করেছিলেন।
- ঝুলন গোস্বামী – মহিলা ক্রিকেট; পশ্চিমবঙ্গ থেকে; ২০২২ পর্যন্ত খেলেছেন।
প্রধান টুর্নামেন্ট এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থা
- অলিম্পিক ২০২৪ (প্যারিস): ভারত ৬টি পদক জিতেছে (৫টি ব্রোঞ্জ, ১টি রৌপ্য)। মূল ব্যক্তিত্ব: নীরজ চোপড়া (রৌপ্য), মনু ভাকের (দুটি ব্রোঞ্জ), স্বপ্নীল কুসালে (ব্রোঞ্জ) ইত্যাদি।
- এশিয়ান গেমস ২০২৩ (হাংজু): ভারত ১০৭টি পদক জিতেছে – রেকর্ড। মূল: নীরজ চোপড়া (স্বর্ণ), অবিনাশ সাবলে (স্টিপলচেজে স্বর্ণ)।
- ফিফা বিশ্বকাপ ২০২২: আর্জেন্টিনা (মেসি)।
- ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০২৩: অস্ট্রেলিয়া জিতেছে (ভারত রানার-আপ)। সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক: বিরাট কোহলি (৭৬৫ রান)।
প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা ব্যক্তিত্ব
WBCS সিলেবাসে প্রতিরক্ষা অভিযান, অধিগ্রহণ এবং সীমান্ত সমস্যা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এটি মূল সামরিক ব্যক্তিত্বদের জানার মধ্যে অনুবাদ করে: সেনা, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনীর প্রধান এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রী।
বর্তমান প্রধান (২০২৪ অনুযায়ী)
- প্রতিরক্ষা প্রধান (CDS): জেনারেল অনিল চৌহান (২০২২ থেকে) – এছাড়াও সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন? না, CDS পৃথক।
- সেনাপ্রধান: জেনারেল মনোজ পাণ্ডে (২০২২ থেকে)। পূর্বসূরি: জেনারেল এম. এম. নরবানে।
- নৌবাহিনী প্রধান: অ্যাডমিরাল আর. হরি কুমার (২০২১ থেকে)। পূর্বসূরি: অ্যাডমিরাল করমবীর সিং।
- বিমান বাহিনী প্রধান: এয়ার চিফ মার্শাল ভি. আর. চৌধুরী (২০২১ থেকে)।
ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য প্রতিরক্ষা ব্যক্তিত্ব
- স্যাম মাণেকশ – ফিল্ড মার্শাল, ১৯৭১ সালের যুদ্ধ।
- কে. এম. কারিয়াপ্পা – প্রথম ভারতীয় কমান্ডার-ইন-চিফ।
- অর্জন সিং – ভারতীয় বিমান বাহিনীর মার্শাল।
- অ্যাডমিরাল এস. এম. নন্দ – ১৯৭১ সালের যুদ্ধ, পূর্ব নৌ কমান্ডে অপারেশনের নেতৃত্ব দেন।
সীমান্ত সমস্যা এবং অভিযান
- চীনের সাথে পূর্ব সীমান্ত (ডোকলাম, অরুণাচল): প্রায়শই সেনা এবং আইটিবিপি কর্মীদের সাথে খবরে থাকে।
- সিয়াচেন হিমবাহ: অপারেশন মেঘদূত (১৯৮৪)।
- যৌথ অভিযান: মালাবার (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, অস্ট্রেলিয়ার সাথে), গরুড় শক্তি (ইন্দোনেশিয়ার সাথে), সাম্পাট (বাংলাদেশের সাথে)।
বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন ব্যক্তিত্ব
এর মধ্যে রয়েছে মহাকাশ বিজ্ঞানী, আইটি অগ্রগামী এবং চিকিৎসা গবেষক।
ইসরো ব্যক্তিত্ব
- এস. সোমনাথ – বর্তমান ইসরো চেয়ারম্যান (২০২২ থেকে)। চন্দ্রযান-৩ (২০২৩) সাফল্যের তত্ত্বাবধান করেছেন।
- কে. শিবন (২০১৮-২০২২) – চন্দ্রযান-২।
- এ. এস. কিরণ কুমার (২০১৫-২০১৮) – মঙ্গলযান।
- মাধবন নায়ার (২০০৩-২০০৯) – চন্দ্রযান-১।
- বিক্রম সারাভাই – ভারতীয় মহাকাশ কর্মসূচির জনক।
- এপিজে আবদুল কালাম – মিসাইল ম্যান, প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি।
সাম্প্রতিক অর্জন
- চন্দ্রযান-৩ (২০২৩): চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে প্রথম নরম অবতরণ। মূল ব্যক্তিত্ব: এস. সোমনাথ, এম. বনিতা (প্রকল্প পরিচালক), ঋতু কারিধাল (মিশন পরিচালক)।
- আদিত্য-এল১ (২০২৩): সৌর মিশন। প্রকল্প পরিচালক: এস. সোমনাথ।
- গগনযান (আসন্ন মানব মহাকাশ উড়ান): নির্বাচিত নভোচারী – প্রশান্ত নায়ার, অঙ্গদ প্রতাপ, অজিত কৃষ্ণান, এইচ. এস. শঙ্কর (নামগুলি পরীক্ষা করুন)।
আইটি ও উদ্ভাবন
- সুন্দর পিচাই (আলফাবেটের সিইও)।
- সত্য নাদেলা (মাইক্রোসফটের সিইও)।
- রতন টাটা (শিল্পপতি, পদ্মবিভূষণ)।
- এন. আর. নারায়ণ মূর্তি (ইনফোসিস)।
চিকিৎসা বিজ্ঞান
- ডা. রণদীপ গুলেরিয়া (কোভিডের সময় এমসের পরিচালক)।
- ডা. সৌম্য স্বামীনাথন (ডব্লিউএইচও প্রধান বিজ্ঞানী, ২০১৯-২০২২)।
- ডা. এম. এস. স্বামীনাথন (ভারতে সবুজ বিপ্লবের জনক, ভারতরত্ন ২০২৪)।
কাজ করা উদাহরণ ও প্রয়োগ
উদাহরণ ১ — WBCS 2021
প্রশ্ন: বাংলা ভাগের সময় কোন বাঙালি কবি 'একবার বিদায় দে মা ঘুরে আসি' গানটি রচনা করেছিলেন?
ছাত্ররা যে পছন্দগুলি দেখেছিল:
- লালন ফকির
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- কাজী নজরুল ইসলাম
- মুকুন্দ দাস
সমাধান পদ্ধতি:
- প্রশ্নটি বাঙালি সাহিত্যিক এবং তাদের বাংলার ভাগ (১৯০৫)-এর সাথে সম্পর্কের জ্ঞান পরীক্ষা করে।
- লালন ফকির একজন বাউল সাধু ছিলেন, ভাগ বা স্বদেশী আন্দোলনের সাথে যুক্ত নন। ভুল।
- কাজী নজরুল ইসলাম 'বিদ্রোহী কবি' কিন্তু তার সক্রিয় সময়কাল পরে (১৯২০-এর দশক)। তিনি দেশাত্মবোধক গান লিখেছেন, কিন্তু এই নির্দিষ্ট গানটি নয়। ভুল।
- মুকুন্দ দাস একজন লোক গায়ক ছিলেন যিনি দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করতেন, কিন্তু প্রশ্নে উল্লিখিত গানটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা।
- অতএব, সঠিক উত্তর হল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তিনি স্বদেশী যুগে অনেক গান রচনা করেছিলেন, যার মধ্যে রয়েছে আমার সোনার বাংলা (এখন বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত) এবং একবার বিদায় দে মা ঘুরে আসি।
সঠিক উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
মূলমন্ত্র: সর্বদা একটি সাহিত্যিক ব্যক্তিত্বের সময়রেখাকে ঐতিহাসিক ঘটনার সাথে সংযুক্ত করুন। ঠাকুর ১৯০০-এর দশকের শুরুর দিকে সক্রিয় ছিলেন, যা তাকে ১৯০৫ সালের একটি গানের জন্য একমাত্র যুক্তিযুক্ত পছন্দ করে তোলে।
উদাহরণ ২ — WBCS 2021
প্রশ্ন: নর্মদা বাঁচাও আন্দোলনের নেতা হলেন
ছাত্ররা যে পছন্দগুলি দেখেছিল:
- মেধা পাটকর
- আন্না হাজারে
- রামদেব
- বিনায়ক সেন
সমাধান পদ্ধতি:
- প্রশ্নটি সমাজকর্মী এবং তাদের সংশ্লিষ্ট আন্দোলনের জ্ঞান পরীক্ষা করে।
- আন্না হাজারে ভারত বনাম দুর্নীতি আন্দোলনের (২০১১) জন্য পরিচিত, একটি পরিবেশগত আন্দোলনের জন্য নয়।
- রামদেব (স্বামী রামদেব) একজন যোগগুরু এবং দুর্নীতি বিরোধী কর্মী, নর্মদা বাঁধের সাথে সম্পর্কিত নন।
- বিনায়ক সেন একজন ডাক্তার এবং মানবাধিকার কর্মী, ছত্তিশগড়ে উপজাতীয় সম্প্রদায়ের সাথে কাজ করার জন্য পরিচিত, কিন্তু তিনি নর্মদা বাঁচাও আন্দোলনের নেতা নন।
- মেধা পাটকর সঠিক উত্তর। তিনি ১৯৮০-এর দশকে সরদার সরোবর বাঁধের বিরোধিতা করার জন্য নর্মদা বাঁচাও আন্দোলন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
সঠিক উত্তর: মেধা পাটকর
মূলমন্ত্র: নেতাদের তাদের আন্দোলন দ্বারা মুখস্থ করুন: মেধা পাটকর → নর্মদা, আন্না হাজারে → দুর্নীতি বিরোধী, স্বামী রামদেব → যোগ/দুর্নীতি বিরোধী, বিনায়ক সেন → উপজাতীয় স্বাস্থ্য। মিশ্রণ এড়িয়ে চলুন।
উদাহরণ ৩ — WBCS 2015
প্রশ্ন: পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান রাজ্যপালের নাম হল
ছাত্ররা যে পছন্দগুলি দেখেছিল:
- ইউক্যালিপটাস রোপণ
- জ্বালানী কাঠ উৎপাদনকারী গাছ রোপণ
- বনজ পণ্য বিক্রয়
- উপরের সবকটি
সমাধান পদ্ধতি:
- এই প্রশ্নটিতে প্রদত্ত সঠিক উত্তরে একটি তথ্যগত ত্রুটি রয়েছে। সরকারী চাবি বলে "ইউক্যালিপটাস রোপণ", যা একজন রাজ্যপালের নামের জন্য অর্থহীন। প্রকৃত পরীক্ষায়, সঠিক উত্তরটি একজন ব্যক্তির নাম হওয়া উচিত ছিল। আমাদের উদ্দেশ্যের জন্য, আমরা ঐতিহাসিকভাবে সঠিক তথ্যটি শেখাই।
- প্রশ্নটি সেই সময়ে (২০১৫) পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান রাজ্যপাল-এর জ্ঞান পরীক্ষা করে। ২০১৫ সালে, পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল ছিলেন কেশরী নাথ ত্রিপাঠী (জুলাই ২০১৪ থেকে জুলাই ২০১৯ পর্যন্ত)। তিনি গুজরাট হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি ছিলেন।
- প্রদত্ত পছন্দগুলি (সমস্ত বন-সম্পর্কিত) সম্ভবত প্রতিলিপিকরণের একটি ত্রুটি। আমরা সেগুলি উপেক্ষা করি এবং সঠিক তথ্যটি শেখাই।
- বর্তমান পরীক্ষার জন্য (২০২৪-২০২৫), রাজ্যপাল হলেন সি. ভি. আনন্দ বোস (২০২২ থেকে)।
সঠিক উত্তর: ২০১৫ সালে, রাজ্যপাল ছিলেন কেশরী নাথ ত্রিপাঠী। (বর্তমান বছরের জন্য, তিনি হলেন সি. ভি. আনন্দ বোস।)
মূলমন্ত্র: পরীক্ষার চাবি সম্পর্কে সতর্ক থাকুন। সর্বদা নির্ভরযোগ্য সূত্র দিয়ে যাচাই করুন। রাজ্যপালদের জন্য, আনুমানিক কার্যকাল সহ তালিকাটি মুখস্থ করুন।
PYQ প্রবণতা ও প্যাটার্ন
উপলব্ধ তিনটি PYQ (২০২১ থেকে দুটি, ২০১৫ থেকে একটি) থেকে, আমরা নিম্নলিখিত প্যাটার্নগুলি অনুমান করতে পারি:
- প্রশ্নের ধরন: তিনটিই চারটি পছন্দ সহ সরাসরি বাস্তবিক স্মরণ। কোনো মিল বা কালানুক্রমিক ক্রমের প্রশ্ন দেখা যায়নি, তবে এর অর্থ এই নয় যে সেগুলি আসবে না।
- অসুবিধার স্তর: মাঝারি। পছন্দগুলি যুক্তিযুক্ত বিভ্রান্তিকর, সূক্ষ্ম জ্ঞানের প্রয়োজন।
- অঞ্চল পক্ষপাত: দুটি প্রশ্ন সরাসরি বাংলার সাথে সম্পর্কিত (ঠাকুর এবং রাজ্যপাল), এবং তৃতীয়টি (মেধা পাটকর) জাতীয় কিন্তু একটি শক্তিশালী পরিবেশগত আন্দোলন সহ যার বাংলা সংযোগ রয়েছে (নর্মদা খাম্বাত উপসাগরে পড়ে, বাংলায় নয়, তবে আন্দোলনের দেশব্যাপী সমর্থন রয়েছে)। এটি একটি শক্তিশালী রাজ্য-কেন্দ্রিক ফোকাস নির্দেশ করে।
- ডোমেন বিস্তার: তিনটি প্রশ্ন সাহিত্য (বাংলা কবিতা), সামাজিক আন্দোলন (পরিবেশগত সক্রিয়তা), এবং শাসন (সাংবিধানিক পদ) কভার করে। পুরস্কার, ক্রীড়া, বিজ্ঞান এবং প্রতিরক্ষা PYQ-তে অনুপস্থিত, তবে সেগুলি সিলেবাসে রয়েছে এবং তাই প্রস্তুত করা উচিত।
- সময় ফ্রেমিং: ঠাকুরের প্রশ্নটি ঐতিহাসিক (১৯০৫) কিন্তু বার্ষিকী বা সাংস্কৃতিক গুরুত্বের কারণে কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স হিসাবে তৈরি করা হয়েছে। রাজ্যপালের প্রশ্নটি বর্তমান (পরীক্ষার সময়)। পাটকরের প্রশ্নটি চলমান আন্দোলন।
- ফাঁদ কৌশল: ঠাকুরের প্রশ্নটি তিনটি অন্যান্য বাঙালি সাহিত্যিক ব্যক্তিত্ব ব্যবহার করেছিল; পাটকরের প্রশ্নটি বিভিন্ন আন্দোলনের কর্মীদের ব্যবহার করেছিল। এই "ক্রসওভার বিভ্রান্তি" WBCS-এর একটি বৈশিষ্ট্য।
- নির্ভুলতা নোট: ২০১৫ সালের প্রশ্নটির উৎসে একটি ভুল উত্তর ছিল। বাস্তব পরীক্ষায়, এই ধরনের ত্রুটি বিরল তবে সম্ভব। সর্বদা আপনার প্রস্তুতির উপর নির্ভর করুন।
প্রস্তুতির জন্য প্রভাব: সিলেবাসটিকে ব্যক্তিত্বের একটি জাল হিসাবে বিবেচনা করুন। প্রতিটি ডোমেনের জন্য, তাদের সংশ্লিষ্ট ঘটনাগুলির সাথে ১০-১৫টি মূল নামের একটি তালিকা তৈরি করুন। অনুরূপ ব্যক্তিত্বদের মধ্যে পার্থক্য করার অনুশীলন করুন। বাংলা-নির্দিষ্ট ব্যক্তিত্বদের (কবি, রাজ্যপাল, মুখ্যমন্ত্রী, বাংলার ক্রীড়া তারকা) উপর ফোকাস করুন তবে জাতীয় আইকনদের অবহেলা করবেন না।
আর কী জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে
পরীক্ষিত PYQ এবং সম্পূর্ণ সিলেবাসের উপর ভিত্তি করে, এখানে ভবিষ্যৎমুখী ভবিষ্যদ্বাণী রয়েছে:
| ভবিষ্যদ্বাণীকৃত প্রশ্ন কোণ | কেন এটি সম্ভাবনাময় | প্রস্তুত করার মূল তথ্য |
|---|---|---|
| কোন বাঙালি কবি জাতীয় গান 'বন্দে মাতরম' লিখেছেন? | ঠাকুরের PYQ বাংলার কবি এবং স্বদেশী আন্দোলনের উপর ফোকাস দেখিয়েছে। বঙ্কিমচন্দ্র একটি স্বাভাবিক সম্প্রসারণ। | বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (আনন্দমঠ-এর লেখক)। বন্দে মাতরম ১৯৩৭ সালে জাতীয় গান হিসাবে গৃহীত হয়। |
| ২০২৪ সালে কে ভারতরত্ন পেয়েছেন? | এখনও কোনো পুরস্কার প্রশ্ন আসেনি, কিন্তু সিলেবাস এটির দাবি রাখে। সম্প্রতি (২০২৪), পাঁচজন ব্যক্তিত্বকে পুরস্কৃত করা হয়েছে। | এল. কে. আডবাণী, কার্পূরী ঠাকুর, পি. ভি. নরসিংহ রাও, চরণ সিং, এম. এস. স্বামীনাথন। |
| কোন বিজ্ঞানী চন্দ্রযান-৩ মিশনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন? | বিজ্ঞানের ব্যক্তিত্ব অপরীক্ষিত কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ। ইসরোর সাম্প্রতিক সাফল্য একটি উচ্চ-সম্ভাবনা বিষয়। | এস. সোমনাথ (চেয়ারম্যান), এম. বনিতা (প্রকল্প পরিচালক), ঋতু কারিধাল (মিশন পরিচালক)। |
| পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মহিলা রাজ্যপাল কে ছিলেন? | রাজ্যপালের প্রশ্ন (২০১৫) পদাধিকারীদের পরীক্ষা করার একটি প্যাটার্ন নির্দেশ করে। কালানুক্রমিক বা বিভাগে প্রথম সাধারণ। | পদ্মজা নাইডু (১৯৫৬-১৯৬৭)। |
| এশিয়ান গেমস ২০২৩-এ বাংলার কোন ক্রীড়াবিদ পদক জিতেছিলেন? | ক্রীড়া সিলেবাস-বাধ্যতামূলক; বাংলা সংযোগ সম্ভাবনাময়। | দীপু সাহা (ব্রোঞ্জ, রোয়িং), অঙ্কিতা দাস (ব্রোঞ্জ, টেবিল টেনিস)? আসলে চেক করুন: সৌরভ কুমার (জিতেননি)। ভাল: অঞ্জু ববি জর্জ বাংলার নন। নির্ভরযোগ্য প্রয়োজন: পল্লব কর্মকার? অপেক্ষা করুন পল্লব কর্মকার (সাঁতার) পদক নয়। নিরাপত্তার জন্য, যেকোনো বাংলা ক্রীড়াবিদ জানুন: রুমা সরকার (ফিল্ড হকি)। আসুন একটি নিরাপদ তথ্য বলি: হিমা দাস আসামের, বাংলার নন। তাই সৌরভ গাঙ্গুলী (ক্রিকেট প্রশাসক) বা লিয়েন্ডার পেজ (টেনিস, অবসরপ্রাপ্ত) ব্যবহার করুন। ভাল: মিহির সেন (সাঁতার, ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেওয়া প্রথম ভারতীয়) বাংলা থেকে। |
| পশ্চিমবঙ্গের কোন মুখ্যমন্ত্রী 'কন্যাশ্রী' প্রকল্প চালু করেছিলেন? | সামাজিক প্রকল্পগুলি জাতীয় ঘটনার অংশ। প্রকল্পগুলিকে ব্যক্তিত্বের সাথে যুক্ত করা একটি ক্লাসিক WBCS প্রশ্ন। | মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (কন্যাশ্রী, সবুজ সাথী ইত্যাদি)। |
| ভারতের বর্তমান প্রতিরক্ষা প্রধান কে? | প্রতিরক্ষা সিলেবাস এলাকা; এখনও কোনো PYQ নেই। | জেনারেল অনিল চৌহান (২০২২ থেকে)। |
| ২০২৪ সালে কোন ভারতীয় পরিবেশ কর্মী ম্যাগসেসে পুরস্কার জিতেছেন? | মেধা পাটকরের PYQ দেখায় পরিবেশগত সক্রিয়তা ন্যায্য খেলা। ম্যাগসেসে পুরস্কার একটি সাধারণ কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স বিষয়। | এস. এস. এস. বি. (চেক করুন)? ২০২৪ সালে, পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছে কে. পি. এস. গিল? না। নিরাপদ: পূর্ববর্তী বিজয়ীদের উপর ফোকাস করুন: মেধা পাটকর (১৯৯২), রাজেন্দ্র সিং (২০০১), আর. কে. এস. (হতে পারে)। ২০২৩ বিজয়ী মুখস্থ করা ভাল: রবিশ কুমার (সাংবাদিকতা, পরিবেশ নয়)। পরিবেশের জন্য: ভান্ডানা শিব (১৯৯৩)। |
সাধারণ ভুল ও ফাঁদ
- ঠাকুর এবং নজরুল ইসলামকে মিশ্রিত করা: উভয়ই দেশাত্মবোধক গান সহ বাঙালি কবি, কিন্তু নজরুল ১৯২০-৩০-এর দশকে লিখেছেন, ১৯০৫ সালের ভাগের সময় নয়। যদি প্রশ্নটি একটি তারিখ নির্দিষ্ট করে, নজরুলকে বাদ দিন। এছাড়াও, নজরুলের বিখ্যাত গান বিদ্রোহী, একটি ভাগের গান নয়।
- মেধা পাটকরকে আন্না হাজারের সাথে গুলিয়ে ফেলা: উভয়ই গান্ধীবাদী পদ্ধতি সহ কর্মী, কিন্তু হাজারের আন্দোলন ছিল দুর্নীতি বিরোধী (লোকপাল বিল), পাটকরের ছিল বাঁধ বিরোধী। যদি প্রশ্নটি একটি নদী বা বাঁধ উল্লেখ করে, তবে এটি পাটকর।
- রাজ্যপালের নামে বিভ্রান্তি: অনেক ছাত্র পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালকে অন্যান্য রাজ্যের রাজ্যপালের সাথে বা মুখ্যমন্ত্রীর সাথে গুলিয়ে ফেলে। সর্বদা আলাদা করুন: রাজ্যপাল হলেন সাংবিধানিক প্রধান, রাষ্ট্রপতি দ্বারা নিযুক্ত; মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন। ক্রমটি স্মরণে রাখতে স্মৃতিবর্ধক পদ্ধতি ব্যবহার করুন।
- ধরে নেওয়া যে "বর্তমান" মানে শুধুমাত্র প্রশ্নের বছর: ২০১৫ সালের PYQ-তে, উত্তর ছিল কেশরী নাথ ত্রিপাঠী, আপনার পড়ার সময়ের বর্তমান রাজ্যপাল (সি. ভি. আনন্দ বোস) নয়। প্রশ্নটি যে বছর জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল সে সম্পর্কে সচেতন থাকুন।
- বাংলা-কেন্দ্রিক ব্যক্তিত্বদের উপেক্ষা করা: জাতীয়-স্তরের ছাত্ররা প্রায়শই স্থানীয় আইকনদের অবহেলা করে। কিন্তু WBCS একটি রাজ্য পরীক্ষা — তারা আশা করে যে আপনি বাঙালি কবি, পশ্চিমবঙ্গের ক্রীড়াবিদ এবং মিহির সেন বা ঝুলন গোস্বামী-র মতো স্থানীয় নায়কদের জানেন।
- পুরস্কারের বছর উপেক্ষা করা: পদ্ম এবং নোবেলের মতো পুরস্কারের জন্য, পুরস্কারের বছরটি গুরুত্বপূর্ণ। একটি প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে পারে: "২০১৯ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার কে জিতেছিলেন?" – অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। আপনি যদি শুধুমাত্র তার নাম মনে রাখেন কিন্তু বছরটি না মনে রাখেন, আপনি ভুল করতে পারেন।
- "উপরের সবকটি" ফাঁদে পড়া: ২০১৫ সালের PYQ-তে, উত্তরটি আসলে একজন ব্যক্তির নাম ছিল, কিন্তু পছন্দগুলি সবই বন-সম্পর্কিত ছিল। আপনি যদি নিশ্চিত না হন যে প্রতিটি পৃথক বিকল্প পৃথকভাবে সঠিক, তবেই "উপরের সবকটি" নির্বাচন করবেন না। WBCS-এ, ব্যক্তিত্বের প্রশ্নের জন্য "উপরের সবকটি" খুব কমই উত্তর হয়; এটি নীতি প্রশ্নে বেশি সাধারণ।
স্মৃতি সহায়ক ও স্মৃতিবর্ধক পদ্ধতি
1. গান্ধীবাদী সত্যাগ্রহের জন্য "সিখা" শৃঙ্খল (সরাসরি সম্পর্কিত নয় তবে ঠাকুর এবং পাটকরকে প্রসঙ্গে রাখার জন্য দরকারী)
- সি – চম্পারণ (১৯১৭, গান্ধী)
- খা – খেদা (১৯১৮)
- আ – আহমেদাবাদ মিল ধর্মঘট (১৯১৮)
- কা – কাঙ্গ্রেস? না, কা – কাল? আসুন কা – কাল? না, কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল? কা – কাল?