ভূমিকা
WBCS কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স সিলেবাসের মধ্যে "জলবায়ু, পরিবেশ ও দুর্যোগ কারেন্ট" উপ-বিষয়টি একটি গতিশীল এবং উচ্চ-ফলনশীল ক্ষেত্র, যা প্রার্থীর সাম্প্রতিক পরিবেশগত ঘটনা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কাঠামো, আন্তর্জাতিক পরিবেশ চুক্তি এবং পরিবেশ সংরক্ষণে ভারতের দেশীয় নীতিমালা সম্পর্কে সচেতনতা পরীক্ষা করে। সিলেবাসের স্থির অংশগুলির (যেমন ভারতীয় ভূগোল বা পরিবেশ ও বাস্তুসংস্থান) বিপরীতে, এই উপ-বিষয়টির জন্য প্রার্থীকে গত ১২-১৮ মাসের উন্নয়নগুলি সম্পর্কে অবগত থাকতে হবে, যার মধ্যে রয়েছে ঘূর্ণিঝড়, জলাভূমি মনোনয়ন, বনভূমি মূল্যায়ন, দূষণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তন।
WBCS পরীক্ষার জন্য, এই উপ-বিষয়টি একাধিক বছরে ধারাবাহিকভাবে উপস্থিত হয়েছে, প্রদত্ত ডেটাসেটে ২০১৬ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ৮টি প্রশ্ন রয়েছে। প্রশ্নগুলি একটি স্পষ্ট প্যাটার্ন প্রকাশ করে: WBCS তথ্যগত স্মরণ (যেমন, "ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের নাম কে রেখেছিলেন?"), প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান (যেমন, "NIDM-এর পূর্বের নাম কী ছিল?"), ঘটনা-ভিত্তিক সচেতনতা (যেমন, "২০১৯ সালে পশ্চিমবঙ্গে কোন ঘূর্ণিঝড় আঘাত করেছিল?") এবং নীতি/দলিল স্বীকৃতি (যেমন, "গ্লোবাল ওয়াইল্ডলাইফ প্রোগ্রাম ২০১৭-এ কী কী দলিল প্রকাশিত হয়েছিল?") পরীক্ষা করে। অসুবিধার মাত্রা মাঝারি — প্রশ্নগুলি অস্পষ্ট নয় তবে নাম, বছর এবং পদবির সঠিক স্মৃতির প্রয়োজন। পরীক্ষার রাজ্য-সেবা অভিমুখিতা প্রতিফলিত করে পশ্চিমবঙ্গ-নির্দিষ্ট পরিবেশগত ঘটনা (ঘূর্ণিঝড় বুলবুল ও ইয়াস, ইস্ট কলকাতা ওয়েটল্যান্ডস) এবং জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কাঠামো (NIDM)-এর উপর উল্লেখযোগ্য জোর দেওয়া হয়েছে।
এই অধ্যায়টি আপনাকে জলবায়ু, পরিবেশ এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ধারণাগুলির প্রথম-নীতি বোধগম্যতা প্রদান করার জন্য এবং তারপর সেই বোধগম্যতাকে প্রকৃত PYQ-তে নোঙর করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। আপনি কেবল অতীতের প্রশ্নের উত্তরই শিখবেন না, বরং অন্তর্নিহিত যুক্তিও শিখবেন যা আপনাকে এই উপ-বিষয়ে যেকোনো নতুন প্রশ্ন মোকাবেলা করতে সক্ষম করবে। আমরা সম্পূর্ণ অফিসিয়াল সিলেবাসের পরিধি কভার করব — জাতীয় নীতি এবং আন্তর্জাতিক চুক্তি থেকে শুরু করে সরকারি প্রকল্প, প্রতিরক্ষা অনুশীলন এবং বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবন — নিশ্চিত করে যে কোনো পরীক্ষিত বা পরীক্ষাযোগ্য ক্ষেত্র অমীমাংসিত না থাকে। এই অধ্যায়ের শেষে, আপনি প্রশ্নের ধরন শনাক্ত করতে, একটি কাঠামোগত মানসিক কাঠামো থেকে প্রাসঙ্গিক তথ্য স্মরণ করতে এবং ভুল উত্তরের দিকে নিয়ে যাওয়া সাধারণ ফাঁদগুলি এড়াতে সক্ষম হবেন।
মূল ধারণা ও ভিত্তি
নির্দিষ্ট PYQ-তে ডুব দেওয়ার আগে, একটি শক্তিশালী ধারণাগত ভিত্তি গড়ে তোলা অপরিহার্য। "জলবায়ু, পরিবেশ ও দুর্যোগ কারেন্ট" উপ-বিষয়টি তিনটি ডোমেনের সংযোগস্থলে অবস্থিত: পরিবেশ বিজ্ঞান (জলবায়ু ব্যবস্থা, জীববৈচিত্র্য, দূষণ), দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা (প্রশমন, প্রতিক্রিয়া, প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো) এবং কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স (সাম্প্রতিক ঘটনা, নীতি পরিবর্তন, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন)। মূল পদগুলি এবং তাদের আন্তঃসংযোগ বোঝা আপনাকে নতুন তথ্য দক্ষতার সাথে প্রক্রিয়া করতে সাহায্য করবে।
ঘূর্ণিঝড়: একটি বৃহৎ-স্কেল, ঘূর্ণায়মান ঝড় ব্যবস্থা যা নিম্ন বায়ুমণ্ডলীয় চাপ, শক্তিশালী বাতাস এবং ভারী বৃষ্টিপাত দ্বারা চিহ্নিত। ঘূর্ণিঝড়গুলি তাদের বাতাসের গতি এবং উৎপত্তি অঞ্চল অনুসারে শ্রেণীবদ্ধ করা হয় — গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঘূর্ণিঝড়গুলি নিরক্ষরেখার কাছে উষ্ণ সমুদ্রের জলের উপর গঠিত হয়। ভারতীয় প্রেক্ষাপটে, বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO) কাঠামোর অধীনে আঞ্চলিক আবহাওয়া সংস্থাগুলি দ্বারা ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করা হয়। নামকরণটি এই অঞ্চলের সদস্য দেশগুলির দ্বারা অবদানকৃত একটি পূর্বনির্ধারিত তালিকা অনুসরণ করে।
রামসার সাইট: একটি জলাভূমি এলাকা যা রামসার কনভেনশন-এর অধীনে আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ হিসাবে মনোনীত, এটি ১৯৭১ সালে ইরানের রামসার শহরে গৃহীত একটি আন্তঃসরকারি চুক্তি। কনভেনশনটি জলাভূমি এবং তাদের সম্পদের সংরক্ষণ ও বিজ্ঞ ব্যবহারের জন্য একটি কাঠামো প্রদান করে। বর্তমানে ভারতের ৮০টিরও বেশি রামসার সাইট রয়েছে এবং এই মনোনয়ন আইনি সুরক্ষা এবং আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রদান করে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা: দুর্যোগের জন্য প্রস্তুতি, প্রতিক্রিয়া এবং পুনরুদ্ধারের জন্য ব্যবস্থা সংগঠিত, পরিকল্পনা এবং প্রয়োগ। ভারতে, আইনি কাঠামো দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৫ দ্বারা প্রদত্ত, যা জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (NDMA) এবং এর রাজ্য-স্তরের প্রতিরূপ প্রতিষ্ঠা করে। জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউট (NIDM) এই কাঠামোর অধীনে সর্বোচ্চ প্রশিক্ষণ ও গবেষণা সংস্থা।
বনভূমি: ১ হেক্টরের বেশি আয়তনের এবং ১০% এর বেশি গাছের ছাউনি ঘনত্ব বিশিষ্ট জমির এলাকা। বন জরিপ ভারত (FSI) দ্বিবার্ষিক ইন্ডিয়া স্টেট অফ ফরেস্ট রিপোর্ট (ISFR) প্রকাশ করে, যা রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জুড়ে বনভূমি, বৃক্ষাচ্ছাদন এবং ম্যানগ্রোভ আচ্ছাদনের পরিবর্তন ট্র্যাক করে। বনভূমি বৃদ্ধি বনায়ন, প্রাকৃতিক পুনর্জন্ম বা উন্নত পরিমাপ কৌশলের ফলে হতে পারে।
বায়ু দূষণ কর্মপরিকল্পনা: একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে বায়ু দূষণকারী মাত্রা হ্রাস করার জন্য ডিজাইন করা ব্যবস্থার একটি বিস্তৃত সেট। ভারতে, ২০১৯ সালে চালু হওয়া জাতীয় পরিচ্ছন্ন বায়ু কর্মসূচি (NCAP) ২০২৪ সালের মধ্যে PM2.5 এবং PM10 ঘনত্ব ২০-৩০% হ্রাস করার লক্ষ্য রাখে, যার সাথে রাজ্য-নির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা রয়েছে। শীতকালীন কর্মপরিকল্পনাগুলি সাধারণত উচ্চ-দূষণের শীতের মাসগুলিতে ফসলের অবশিষ্ট পোড়ানো, যানবাহন নির্গমন এবং শিল্প দূষণ মোকাবেলা করে।
গ্লোবাল ওয়াইল্ডলাইফ প্রোগ্রাম: গ্লোবাল এনভায়রনমেন্ট ফ্যাসিলিটি (GEF) দ্বারা সমর্থিত এবং জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP) , বিশ্ব ব্যাংক এবং অন্যান্য সংস্থা দ্বারা বাস্তবায়িত একটি বহু-দেশীয় উদ্যোগ। এটি টেকসই উন্নয়ন প্রচারের সময় বন্যপ্রাণী এবং আবাসস্থল সংরক্ষণের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে। প্রোগ্রামটি প্রায়শই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে কৌশলগত দলিল এবং কর্মপরিকল্পনা প্রকাশ করে।
সুপারসাইক্লোন: একটি গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঘূর্ণিঝড় যার বাতাসের গতি ২২০ কিমি/ঘণ্টা (১১৯ নট) ছাড়িয়ে যায়। ভারত আবহাওয়া বিভাগ (IMD) সর্বোচ্চ স্থায়ী বাতাসের গতির ভিত্তিতে ঘূর্ণিঝড়কে পাঁচটি বিভাগে শ্রেণীবদ্ধ করে: নিম্নচাপ (৩১-৫০ কিমি/ঘণ্টা), গভীর নিম্নচাপ (৫১-৬২ কিমি/ঘণ্টা), ঘূর্ণিঝড় (৬৩-৮৭ কিমি/ঘণ্টা), গুরুতর ঘূর্ণিঝড় (৮৮-১১৭ কিমি/ঘণ্টা), অত্যন্ত গুরুতর ঘূর্ণিঝড় (১১৮-১৬৫ কিমি/ঘণ্টা), চরম গুরুতর ঘূর্ণিঝড় (১৬৬-২২০ কিমি/ঘণ্টা) এবং সুপার সাইক্লোন (>২২০ কিমি/ঘণ্টা)। "সুপারসাইক্লোন" শব্দটি প্রায়শই সর্বোচ্চ বিভাগের জন্য অনানুষ্ঠানিকভাবে ব্যবহৃত হয়।
জীববৈচিত্র্য সাইট: একটি এলাকা যা তার উচ্চ জৈবিক বৈচিত্র্য, স্থানীয় প্রজাতি বা অনন্য বাস্তুতন্ত্রের জন্য স্বীকৃত। যদিও ভারতের বন্যপ্রাণী সুরক্ষা আইন, ১৯৭২-এর অধীনে বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ, জাতীয় উদ্যান এবং বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য রয়েছে, "জীববৈচিত্র্য সাইট" শব্দটি ভারতীয় আইনের অধীনে একটি আনুষ্ঠানিক আইনি পদবি নয়। জৈবিক বৈচিত্র্য আইন, ২০০২ রাজ্য স্তরে জীববৈচিত্র্য ঐতিহ্য সাইট প্রতিষ্ঠা করে।
বিশ্ব ঐতিহ্য সাইট: একটি ল্যান্ডমার্ক বা এলাকা যা UNESCO দ্বারা পরিচালিত একটি আন্তর্জাতিক কনভেনশন দ্বারা আইনি সুরক্ষা পায়। বিশ্ব ঐতিহ্য সাইটগুলি সাংস্কৃতিক, ঐতিহাসিক, বৈজ্ঞানিক বা অন্যান্য ধরণের তাৎপর্যের জন্য মনোনীত হয়। ভারতের ৪২টি UNESCO বিশ্ব ঐতিহ্য সাইট রয়েছে (২০২৪ অনুযায়ী), তবে জলাভূমির মতো পরিবেশগত সাইটগুলি সাধারণত রামসার কনভেনশনের অধীনে মনোনীত হয়, বিশ্ব ঐতিহ্য নয়।
এই উপ-বিষয়ের জন্য ধারণাগত কাঠামোটি একটি তিন-স্তর পিরামিড হিসাবে কল্পনা করা যেতে পারে:
- ভিত্তি স্তর (স্থির জ্ঞান): সংজ্ঞা, শ্রেণীবিভাগ, প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো (যেমন, ঘূর্ণিঝড় কী, NIDM কী, রামসার সাইট কী)।
- মধ্য স্তর (গতিশীল জ্ঞান): সাম্প্রতিক ঘটনা, নীতি পরিবর্তন, নতুন মনোনয়ন (যেমন, ২০২১ সালে ঘূর্ণিঝড় ইয়াস, ইস্ট কলকাতা ওয়েটল্যান্ডস রামসার সাইট হিসাবে, ১৫-দফা শীতকালীন কর্মপরিকল্পনা)।
- প্রয়োগ স্তর (বিশ্লেষণাত্মক দক্ষতা): ঘটনাগুলিকে বছরের সাথে মেলানো, সঠিক দলিল শনাক্ত করা, একই রকম শোনানো প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পার্থক্য করা (যেমন, NIDM বনাম NDMA বনাম NCMC)।
PYQগুলি প্রধানত মধ্য স্তর (গতিশীল জ্ঞান) পরীক্ষা করে তবে বিভ্রান্তি এড়াতে ভিত্তি স্তর-এর দৃঢ় ধারণ প্রয়োজন। উদাহরণস্বরূপ, NIDM-এর পূর্বের নাম সম্পর্কে প্রশ্নের উত্তর দিতে, আপনাকে ভারতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রাতিষ্ঠানিক ইতিহাস (ভিত্তি স্তর) জানতে হবে এবং তারপরে নির্দিষ্ট নাম পরিবর্তন (মধ্য স্তর) স্মরণ করতে হবে।
জলবায়ু ঘটনা ও ঘূর্ণিঝড় নামকরণ প্রথা
গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঘূর্ণিঝড় নামকরণ বোঝা
গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঘূর্ণিঝড়গুলি সহজ শনাক্তকরণ, যোগাযোগ এবং জনসচেতনতা সহজতর করার জন্য নামকরণ করা হয়। পদ্ধতিগত নামকরণ প্রথার আগে, ঘূর্ণিঝড়গুলি তাদের অবস্থান এবং বছর দ্বারা চিহ্নিত করা হত (যেমন, "১৯৭০ সালের ভোলা ঘূর্ণিঝড়"), যা একই সাথে একাধিক ঘূর্ণিঝড় ঘটলে জটিল এবং বিভ্রান্তিকর ছিল। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO) এবং জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (UNESCAP) ২০০০ সালে উত্তর ভারত মহাসাগরীয় অববাহিকার জন্য একটি আঞ্চলিক নামকরণ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করে।
নামকরণ প্রক্রিয়াটি নিম্নরূপ কাজ করে:
- সদস্য দেশগুলি WMO/UNESCAP প্যানেলে (ভারত, বাংলাদেশ, মিয়ানমার, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, ওমান, থাইল্যান্ড, মালদ্বীপ, ইরান, কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ইয়েমেন সহ) প্রতিটি নামের একটি তালিকা জমা দেয়।
- নামগুলি সংক্ষিপ্ত, উচ্চারণে সহজ এবং সাংস্কৃতিকভাবে নিরপেক্ষ (কোনও সদস্য দেশের জন্য আপত্তিকর নয়) হওয়ার জন্য নির্বাচিত হয়।
- নামগুলি ঘূর্ণায়মান পদ্ধতিতে ব্যবহৃত হয় — একবার একটি নাম ব্যবহার করা হলে, এটি অবসরপ্রাপ্ত হয় এবং বিভ্রান্তি এড়াতে কমপক্ষে ১০ বছরের জন্য পুনরায় ব্যবহার করা যায় না।
- ভারত আবহাওয়া বিভাগ (IMD) উত্তর ভারত মহাসাগরের জন্য আঞ্চলিক বিশেষায়িত আবহাওয়া কেন্দ্র (RSMC) এবং পূর্ব-অনুমোদিত তালিকা থেকে ঘূর্ণিঝড়ের সতর্কতা জারি এবং নাম নির্ধারণের জন্য দায়ী।
WBCS ২০২১-এ পরীক্ষিত: সুপারসাইক্লোন ইয়াস-এর নামকরণ করেছিল বাংলাদেশ। "ইয়াস" নামটি ফার্সি ভাষায় "জুঁই" অর্থ বহন করে এবং এটি বাংলাদেশ আঞ্চলিক নামকরণ তালিকায় অবদান রেখেছিল। এই প্রশ্নটি আপনার সচেতনতা পরীক্ষা করে যে কোন দেশ কোন নাম অবদান রেখেছে — WBCS-এ একটি সাধারণ প্যাটার্ন।
মূল অন্তর্দৃষ্টি: ঘূর্ণিঝড়ের নাম এলোমেলো নয় — এগুলি পদ্ধতিগতভাবে সদস্য দেশগুলি দ্বারা অবদান রাখা হয়। ভারত গতি, মোচা এবং তেজ-এর মতো নাম অবদান রেখেছে। বাংলাদেশ ফণী, ইয়াস এবং রেমাল অবদান রেখেছে। ওমান মেকুনু এবং লুবান অবদান রেখেছে। সাম্প্রতিক ঘূর্ণিঝড়গুলির জন্য উৎপত্তি দেশ জানা একটি উচ্চ-ফলনশীল ক্ষেত্র।
পশ্চিমবঙ্গকে প্রভাবিত করা প্রধান ঘূর্ণিঝড় (২০১৯-২০২৩)
পশ্চিমবঙ্গের উপকূলীয় ভূগোল এটিকে বঙ্গোপসাগরে উৎপন্ন ঘূর্ণিঝড়ের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলে। রাজ্যটি সাম্প্রতিক বছরগুলিতে বেশ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ঘূর্ণিঝড় ঘটনা অনুভব করেছে:
ঘূর্ণিঝড় বুলবুল (২০১৯): WBCS ২০২০-এ পরীক্ষিত। এই গুরুতর ঘূর্ণিঝড়টি ৯ নভেম্বর, ২০১৯-এ পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবনের কাছে স্থলভাগে আঘাত হানে, যার বাতাসের গতি ছিল ১১০-১২০ কিমি/ঘণ্টা। এটি উপকূলীয় অবকাঠামো, কৃষি এবং ম্যানগ্রোভ বনের ব্যাপক ক্ষতি করেছিল। "বুলবুল" নামটি পাকিস্তান অবদান রেখেছিল (উর্দুতে "নাইটিঙ্গেল" অর্থ)। ২০০৯ সালে ঘূর্ণিঝড় আইলার পর এটি পশ্চিমবঙ্গে আঘাত হানা প্রথম বড় ঘূর্ণিঝড় ছিল।
ঘূর্ণিঝড় আম্ফান (২০২০): একটি অত্যন্ত গুরুতর ঘূর্ণিঝড় যা ২০ মে, ২০২০-এ পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশে আঘাত হানে। আম্ফান ছিল বঙ্গোপসাগরে রেকর্ড করা সবচেয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়গুলির মধ্যে একটি, যার বাতাসের গতি ২৬০ কিমি/ঘণ্টায় পৌঁছেছিল। এটি কলকাতা এবং সুন্দরবনে বিপর্যয়কর ক্ষতি করেছিল। "আম্ফান" নামটি থাইল্যান্ড অবদান রেখেছিল (থাই ভাষায় "আকাশ" অর্থ)। এই ঘূর্ণিঝড়টি ১৯৯৯ সালের ওড়িশা ঘূর্ণিঝড়ের পর বঙ্গোপসাগরে প্রথম সুপারসাইক্লোন হওয়ার জন্য উল্লেখযোগ্য।
ঘূর্ণিঝড় ইয়াস (২০২১): একটি অতি গুরুতর ঘূর্ণিঝড় যা ২৬ মে, ২০২১-এ ওড়িশার বালেশ্বরের কাছে স্থলভাগে আঘাত হানে, পশ্চিমবঙ্গের উপকূলীয় জেলাগুলিকে প্রভাবিত করে। বাতাসের গতি ১৩০-১৪০ কিমি/ঘণ্টায় পৌঁছেছিল। "ইয়াস" নামটি বাংলাদেশ অবদান রেখেছিল (WBCS ২০২১-এ পরীক্ষিত)।
ঘূর্ণিঝড় রেমাল (২০২৪): একটি গুরুতর ঘূর্ণিঝড় যা মে ২০২৪-এ পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশে আঘাত হানে। "রেমাল" নামটি ওমান অবদান রেখেছিল (আরবিতে "বালি" অর্থ)। এই ঘূর্ণিঝড়টি প্রাক-মৌসুমী সময়কালে এর সময় এবং সুন্দরবনের উপর প্রভাবের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ।
তুলনা সারণী: পশ্চিমবঙ্গকে প্রভাবিত করা ঘূর্ণিঝড় (২০১৯-২০২৪)
| ঘূর্ণিঝড়ের নাম | বছর | অবদানকারী দেশ | বিভাগ (IMD) | সর্বোচ্চ বাতাসের গতি | মূল প্রভাবিত এলাকা |
|---|---|---|---|---|---|
| বুলবুল | ২০১৯ | পাকিস্তান | গুরুতর ঘূর্ণিঝড় | ১১০-১২০ কিমি/ঘণ্টা | সুন্দরবন, দক্ষিণ ২৪ পরগনা |
| আম্ফান | ২০২০ | থাইল্যান্ড | অত্যন্ত গুরুতর ঘূর্ণিঝড় | ২৬০ কিমি/ঘণ্টা | কলকাতা, সুন্দরবন, উত্তর ২৪ পরগনা |
| ইয়াস | ২০২১ | বাংলাদেশ | অতি গুরুতর ঘূর্ণিঝড় | ১৩০-১৪০ কিমি/ঘণ্টা | বালেশ্বর (ওড়িশা), পশ্চিমবঙ্গ উপকূল |
| রেমাল | ২০২৪ | ওমান | গুরুতর ঘূর্ণিঝড় | ১১০-১২০ কিমি/ঘণ্টা | সুন্দরবন, বাংলাদেশ উপকূল |
স্মৃতি সহায়ক — নামকরণকারী দেশগুলির জন্য "CYCLONE" সংক্ষিপ্ত রূপ: C — ঘূর্ণিঝড়ের নাম আসে WMO/UNESCAP প্যানেলের Countries (দেশ) থেকে। Y — Yaas (ইয়াস) বাংলাদেশ থেকে (Y for "Yes, it's from Bangladesh")। C — Cyclone Bulbul (বুলবুল) পাকিস্তান থেকে। L — Like Amphan (আম্ফান) থাইল্যান্ড থেকে। O — Oman (ওমান) দিয়েছে রেমাল। N — Never forget (কখনো ভুলবেন না): ভারত দিয়েছে গতি, মোচা, তেজ। E — Each name (প্রতিটি নাম) ব্যবহারের পর ১০ বছরের জন্য অবসরপ্রাপ্ত হয়।
জলাভূমি ও পরিবেশগত মনোনয়ন
রামসার কনভেনশন ও ভারতের জলাভূমি
রামসার কনভেনশন একটি আন্তঃসরকারি চুক্তি যা জলাভূমি এবং তাদের সম্পদের সংরক্ষণ ও বিজ্ঞ ব্যবহারের জন্য জাতীয় পদক্ষেপ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার কাঠামো প্রদান করে। এটি ১৯৭১ সালে ইরানের রামসার শহরে গৃহীত হয় এবং ১৯৭৫ সালে কার্যকর হয়। ভারত ১৯৮২ সালে স্বাক্ষরকারী হয়।
একটি রামসার সাইট হল একটি জলাভূমি যা কনভেনশনের অধীনে আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ হিসাবে মনোনীত। মনোনয়নের মানদণ্ডের মধ্যে রয়েছে:
- জলাভূমিটি দুর্বল, বিপন্ন বা সংকটাপন্ন প্রজাতিকে সমর্থন করে।
- জলাভূমিটি জৈবিক বৈচিত্র্য বজায় রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ উদ্ভিদ এবং/অথবা প্রাণী প্রজাতির জনসংখ্যাকে সমর্থন করে।
- জলাভূমিটি নিয়মিতভাবে ২০,০০০ বা তার বেশি জলপাখিকে সমর্থন করে।
- জলাভূমিটি নিয়মিতভাবে একটি প্রজাতি বা জলপাখির উপ-প্রজাতির জনসংখ্যার ১% ব্যক্তিকে সমর্থন করে।
WBCS ২০১৯-এ পরীক্ষিত: ইস্ট কলকাতা ওয়েটল্যান্ডস ২০০২ সালে একটি রামসার সাইট হিসাবে ঘোষিত হয়েছিল। এটি একটি অনন্য বাস্তুতন্ত্র — কলকাতার পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত ১২,৫০০ হেক্টরের প্রাকৃতিক এবং মনুষ্যসৃষ্ট জলাভূমির একটি জটিল। জলাভূমিগুলি শহরের জন্য একটি প্রাকৃতিক পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা হিসাবে কাজ করে, মৎস্য চাষ এবং কৃষির জন্য বর্জ্য জল ব্যবহার করে। শহরের বর্জ্য জল শোধনে তাদের ভূমিকার জন্য এগুলিকে প্রায়শই "কলকাতার কিডনি" বলা হয়।
মূল অন্তর্দৃষ্টি: ইস্ট কলকাতা ওয়েটল্যান্ডস একটি বিশ্ব ঐতিহ্য সাইট (UNESCO মনোনয়ন) বা একটি জীববৈচিত্র্য সাইট (একটি কম আনুষ্ঠানিক শব্দ) নয়। এগুলি বিশেষভাবে একটি রামসার সাইট — একটি মনোনয়ন যা জলাভূমি বাস্তুতন্ত্র হিসাবে তাদের আন্তর্জাতিক গুরুত্ব স্বীকার করে। এই পার্থক্যটি WBCS-এর জন্য গুরুত্বপূর্ণ, যা সুনির্দিষ্ট মনোনয়ন পরীক্ষা করে।
ভারতের সম্প্রসারিত রামসার নেটওয়ার্ক
ভারত সাম্প্রতিক বছরগুলিতে তার রামসার সাইট নেটওয়ার্ক উল্লেখযোগ্যভাবে প্রসারিত করেছে। ২০২৪ অনুযায়ী, ভারতের ৮২টি রামসার সাইট রয়েছে, যা দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বোচ্চ। মূল সাম্প্রতিক সংযোজনগুলির মধ্যে রয়েছে:
- ২০২২: ১১টি নতুন সাইট যুক্ত হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে কারিকিলি বার্ড স্যাংচুয়ারি (তামিলনাড়ু), পাল্লিকরানাই মার্শ রিজার্ভ ফরেস্ট (তামিলনাড়ু), পিচাভরাম ম্যানগ্রোভ (তামিলনাড়ু), সাখ্যা সাগর (মধ্যপ্রদেশ) এবং থানে ক্রিক (মহারাষ্ট্র)।
- ২০২৩: ৫টি নতুন সাইট যুক্ত হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে অঙ্কসামুদ্র বার্ড কনজারভেশন রিজার্ভ (কর্ণাটক), আঘনাশিনী মোহনা (কর্ণাটক) এবং মাগাদি কেরে কনজারভেশন রিজার্ভ (কর্ণাটক)।
- ২০২৪: ৩টি নতুন সাইট যুক্ত হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে নাগার্জুন সাগর বাঁধ (তেলেঙ্গানা) এবং তাওয়া জলাধার (মধ্যপ্রদেশ)।
পশ্চিমবঙ্গের ২টি রামসার সাইট রয়েছে:
- ইস্ট কলকাতা ওয়েটল্যান্ডস (২০০২ সালে মনোনীত) — WBCS ২০১৯-এ পরীক্ষিত।
- সুন্দরবন ওয়েটল্যান্ড (২০১৯ সালে মনোনীত) — বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন, বাংলাদেশের সাথে ভাগ করা।
স্মৃতি সহায়ক — রামসার সাইট মানদণ্ডের জন্য "WETLAND" সংক্ষিপ্ত রূপ: W — Waterbirds (জলপাখি — ২০,০০০+ জলপাখি সমর্থন করে)। E — Endangered species (বিপন্ন প্রজাতি — দুর্বল/হুমকিপ্রাপ্ত প্রজাতি সমর্থন করে)। T — Threatened ecosystems (হুমকিপ্রাপ্ত বাস্তুতন্ত্র — একটি বিরল জলাভূমি প্রকারের প্রতিনিধিত্ব করে)। L — Life support (জীবন সমর্থন — গুরুত্বপূর্ণ বাস্তুতন্ত্র পরিষেবা প্রদান করে)। A — Aquatic biodiversity (জলজ জীববৈচিত্র্য — জৈবিক বৈচিত্র্য বজায় রাখে)। N — Natural heritage (প্রাকৃতিক ঐতিহ্য — সাংস্কৃতিক বা পরিবেশগত তাৎপর্য রয়েছে)। D — Designated (মনোনীত) রামসার কনভেনশন দ্বারা।
অন্যান্য পরিবেশগত মনোনয়ন
জীববৈচিত্র্য ঐতিহ্য সাইট (BHS): জৈবিক বৈচিত্র্য আইন, ২০০২-এর অধীনে, রাজ্য সরকারগুলি অনন্য জীববৈচিত্র্যের এলাকাগুলিকে জীববৈচিত্র্য ঐতিহ্য সাইট হিসাবে বিজ্ঞপ্তি দিতে পারে। এগুলি এমন এলাকা যা জীববৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ, বিরল প্রজাতি ধারণ করে বা সাংস্কৃতিক তাৎপর্য রয়েছে। উদাহরণগুলির মধ্যে রয়েছে নাল্লুর তেঁতুল গ্রোভ (কর্ণাটক) এবং ঘড়িয়াল পুনর্বাসন কেন্দ্র (উত্তরপ্রদেশ)। রামসার সাইটগুলির বিপরীতে, BHS একটি দেশীয় মনোনয়ন, আন্তর্জাতিক নয়।
UNESCO বিশ্ব ঐতিহ্য সাইট: বিশ্ব ঐতিহ্য কনভেনশন (১৯৭২)-এর অধীনে মনোনীত, এগুলি অসামান্য সার্বজনীন মূল্যের সাংস্কৃতিক বা প্রাকৃতিক সাইট। ভারতের ৪২টি বিশ্ব ঐতিহ্য সাইট রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে সুন্দরবন জাতীয় উদ্যান (১৯৮৭ সালে একটি প্রাকৃতিক সাইট হিসাবে মনোনীত)। লক্ষ্য করুন যে সুন্দরবন একটি বিশ্ব ঐতিহ্য সাইট (জাতীয় উদ্যান) এবং একটি রামসার সাইট (বৃহত্তর জলাভূমি কমপ্লেক্স) উভয়ই।
বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ: UNESCO-এর ম্যান অ্যান্ড দ্য বায়োস্ফিয়ার (MAB) প্রোগ্রাম-এর অধীনে মনোনীত, এগুলি এমন এলাকা যা সংরক্ষণ এবং গবেষণার মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন প্রচার করে। ভারতের ১৮টি বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে সুন্দরবন বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ (২০০১ সালে মনোনীত)।
মূল অন্তর্দৃষ্টি: WBCS এই মনোনয়নগুলির মধ্যে পার্থক্য করার ক্ষমতা পরীক্ষা করে। ইস্ট কলকাতা ওয়েটল্যান্ডস একটি রামসার সাইট, বিশ্ব ঐতিহ্য সাইট নয়। সুন্দরবন একটি বিশ্ব ঐতিহ্য সাইট এবং একটি রামসার সাইট উভয়ই। একটি "জীববৈচিত্র্য সাইট" একটি আনুষ্ঠানিক আন্তর্জাতিক মনোনয়ন নয় — সঠিক শব্দটি হল ভারতীয় আইনের অধীনে "জীববৈচিত্র্য ঐতিহ্য সাইট"।
ভারতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কাঠামো
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানের বিবর্তন
ভারতের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কাঠামো ১৯৯৯ সালের ওড়িশা সুপারসাইক্লোন এবং ২০০১ সালের গুজরাট ভূমিকম্পের পর থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে বিবর্তিত হয়েছে, যা দেশের প্রস্তুতির ফাঁকগুলি উন্মোচিত করেছিল। মূল মাইলফলকগুলি হল:
২০০৫-পূর্ব যুগ: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রধানত প্রতিক্রিয়াশীল ছিল, ত্রাণ ও পুনর্বাসনের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে। জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র (NCDM) ১৯৯৫ সালে কৃষি মন্ত্রকের অধীনে একটি প্রশিক্ষণ ও গবেষণা সংস্থা হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এটি সেই প্রতিষ্ঠান যা পরে নামকরণ করা হয়েছিল।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৫: এই যুগান্তকারী আইন একটি বিস্তৃত প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো প্রতিষ্ঠা করেছিল:
- জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (NDMA) — প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সর্বোচ্চ সংস্থা।
- রাজ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (SDMA) — মুখ্যমন্ত্রীদের সভাপতিত্বে।
- জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (DDMA) — জেলা শাসকের সভাপতিত্বে।
- জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউট (NIDM) — ২০০৬ সালে NCDM থেকে নামকরণ করা হয়, এটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার জন্য সর্বোচ্চ প্রশিক্ষণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়।
WBCS ২০২০-এ পরীক্ষিত (দুটি প্রশ্ন):
- NIDM-এর পূর্বের নাম ছিল জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র (NCDM)। এটি একটি সরাসরি তথ্যগত স্মরণ প্রশ্ন। অন্যান্য বিকল্পগুলি — জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিষদ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার জন্য জাতীয় কমিটি, এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার উপর জাতীয় টাস্ক ফোর্স — শোনায় যুক্তিযুক্ত কিন্তু ভুল।
- NIDM ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। প্রশ্নটি জিজ্ঞাসা করেছিল "২০০৬ সালে NIDM প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল" কিনা, এবং উত্তরটি সত্য। প্রতিষ্ঠানটি আনুষ্ঠানিকভাবে ২০০৬ সালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৫-এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
মূল অন্তর্দৃষ্টি: WBCS সুনির্দিষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক ইতিহাস পরীক্ষা করে। NCDM (১৯৯৫) → NIDM (২০০৬)। বছর ২০০৬ গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি ২০০৫ আইনের অধীনে পুরানো প্রতিষ্ঠান থেকে নতুনটিতে রূপান্তর চিহ্নিত করে। মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক এবং বৈদেশিক বিষয়ক মন্ত্রক জড়িত নয় — NIDM স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক-এর অধীনে কাজ করে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক শ্রেণিবিন্যাস
| প্রতিষ্ঠান | প্রতিষ্ঠার বছর | পিতৃ মন্ত্রক | সভাপতি | মূল কাজ |
|---|---|---|---|---|
| জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (NDMA) | ২০০৫ | স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক | প্রধানমন্ত্রী | নীতি প্রণয়ন, সমন্বয় |
| জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউট (NIDM) | ২০০৬ (NCDM থেকে নামকরণ) | স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক | মহাপরিচালক (নিযুক্ত) | প্রশিক্ষণ, গবেষণা, সক্ষমতা বৃদ্ধি |
| জাতীয় দুর্যোগ প্রতিক্রিয়া বাহিনী (NDRF) | ২০০৬ | স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক | মহাপরিচালক (নিযুক্ত) | দুর্যোগে বিশেষায়িত প্রতিক্রিয়া |
| রাজ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (SDMA) | ২০০৫ (রাজ্য-স্তর) | রাজ্য রাজস্ব/দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ | মুখ্যমন্ত্রী | রাজ্য-স্তরের নীতি ও সমন্বয় |
| জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (DDMA) | ২০০৫ (জেলা-স্তর) | জেলা প্রশাসন | জেলা শাসক | স্থানীয়-স্তরের পরিকল্পনা ও প্রতিক্রিয়া |
জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা (NDMP)
জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা (NDMP) প্রথম ২০১৬ সালে প্রকাশিত হয়েছিল এবং ২০১৯ সালে আপডেট করা হয়েছিল। এটি সেন্ডাই ফ্রেমওয়ার্ক ফর ডিজাস্টার রিস্ক রিডাকশন (২০১৫-২০৩০)-এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যা জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলি দ্বারা গৃহীত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। NDMP কভার করে:
- প্রতিরোধ ও প্রশমন: ভূমি ব্যবহার পরিকল্পনা, বিল্ডিং কোড, প্রাথমিক সতর্কীকরণ ব্যবস্থা।
- প্রস্তুতি: প্রশিক্ষণ, মক ড্রিল, ত্রাণ সামগ্রী মজুত করা।
- প্রতিক্রিয়া: তাৎক্ষণিক ত্রাণ, অনুসন্ধান ও উদ্ধার, চিকিৎসা সহায়তা।
- পুনরুদ্ধার: পুনর্নির্মাণ, পুনর্বাসন, জীবিকা পুনরুদ্ধার।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সাম্প্রতিক উন্নয়ন
- কোয়ালিশন ফর ডিজাস্টার রেজিলিয়েন্ট ইনফ্রাস্ট্রাকচার (CDRI): ২০১৯ সালে জাতিসংঘ জলবায়ু কর্ম শীর্ষ সম্মেলনে ভারত দ্বারা চালু করা, CDRI স্থিতিস্থাপক অবকাঠামো ব্যবস্থা প্রচারের জন্য একটি বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব।
- আপদ মিত্র প্রকল্প: ২০১৬-১৭ সালে চালু একটি কেন্দ্রীয় সেক্টর প্রকল্প যা দুর্যোগ প্রতিক্রিয়ায় সম্প্রদায়ের স্বেচ্ছাসেবকদের প্রশিক্ষণ দেয়।
- জাতীয় ঘূর্ণিঝড় ঝুঁকি প্রশমন প্রকল্প (NCRMP): পশ্চিমবঙ্গ সহ উপকূলীয় রাজ্যগুলিতে ঘূর্ণিঝড়ের দুর্বলতা হ্রাস করার জন্য বিশ্ব ব্যাংক-সহায়তা প্রকল্প।
মূল অন্তর্দৃষ্টি: WBCS NIDM-এর ইতিহাস দুবার পরীক্ষা করেছে (২০২০), যা প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞানের জন্য একটি শক্তিশালী পছন্দ নির্দেশ করে। ভবিষ্যতের পরীক্ষায় NDMA, NDRF এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন সম্পর্কে প্রশ্ন আশা করুন।
বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও বৈশ্বিক উদ্যোগ
গ্লোবাল ওয়াইল্ডলাইফ প্রোগ্রাম (GWP)
গ্লোবাল ওয়াইল্ডলাইফ প্রোগ্রাম (GWP) হল গ্লোবাল এনভায়রনমেন্ট ফ্যাসিলিটি (GEF) দ্বারা সমর্থিত এবং জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP) , বিশ্ব ব্যাংক এবং অন্যান্য সংস্থা দ্বারা বাস্তবায়িত একটি বহু-দেশীয় উদ্যোগ। এটি ২০১৫ সালে চালু হয়েছিল এবং টেকসই উন্নয়ন প্রচারের সময় বন্যপ্রাণী এবং আবাসস্থল সংরক্ষণের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে।
WBCS ২০১৮-এ পরীক্ষিত: গ্লোবাল ওয়াইল্ডলাইফ প্রোগ্রাম, ২০১৭-এ কোন দলিলগুলি প্রকাশিত হয়েছিল? সঠিক উত্তর হল উভয় (A) এবং (B) — যা জাতীয় বন্যপ্রাণী কর্মসূচি এবং সিকিউর হিমালয়াস-কে নির্দেশ করে।
আসুন এটি ভেঙে ফেলি:
- জাতীয় বন্যপ্রাণী কর্মসূচি (NWAP): ভারতের প্রথম জাতীয় বন্যপ্রাণী কর্মপরিকল্পনা ১৯৮৩ সালে গৃহীত হয়েছিল। জাতীয় বন্যপ্রাণী কর্মসূচি (২০১৭-২০৩১) ২০১৭ সালে একটি আপডেট সংস্করণ হিসাবে প্রকাশিত হয়েছিল, যা বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ, আবাসস্থল পুনরুদ্ধার এবং মানব-বন্যপ্রাণী দ্বন্দ্ব প্রশমনের কৌশলগুলি রূপরেখা দেয়।
- সিকিউর হিমালয়াস: এটি GWP-এর অধীনে একটি নির্দিষ্ট প্রকল্প যা হিমালয়ের ল্যান্ডস্কেপে বন্যপ্রাণী এবং আবাসস্থল সংরক্ষণের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে। এটি GWP-তে ভারতের প্রতিশ্রুতির অংশ হিসাবে ২০১৭ সালে চালু হয়েছিল।
- "উপরের কোনটিই নয়" ভুল ছিল কারণ GWP ২০১৭ ইভেন্টে উভয় দলিলই প্রকাশিত হয়েছিল।
মূল অন্তর্দৃষ্টি: এই প্রশ্নটি আন্তর্জাতিক পরিবেশগত ইভেন্টগুলিতে প্রকাশিত নির্দিষ্ট দলিল এবং প্রোগ্রাম সম্পর্কে আপনার সচেতনতা পরীক্ষা করে। WBCS আশা করে যে আপনি কেবল GWP-এর অস্তিত্বই নয়, এর সাথে সম্পর্কিত নির্দিষ্ট ফলাফলগুলিও জানবেন।
ভারতের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কাঠামো
ভারতের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের জন্য একটি শক্তিশালী আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো রয়েছে:
- বন্যপ্রাণী সুরক্ষা আইন, ১৯৭২: বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের প্রাথমিক আইন, যা সুরক্ষিত এলাকা (জাতীয় উদ্যান, বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, সংরক্ষণ রিজার্ভ, সম্প্রদায় রিজার্ভ) প্রতিষ্ঠা করে।
- প্রজেক্ট টাইগার (১৯৭৩): রয়েল বেঙ্গল টাইগারের জন্য একটি ফ্ল্যাগশিপ সংরক্ষণ প্রোগ্রাম।
- প্রজেক্ট এলিফ্যান্ট (১৯৯২): হাতির আবাসস্থল এবং করিডোরের জন্য একটি সংরক্ষণ প্রোগ্রাম।
- জাতীয় বন্যপ্রাণী বোর্ড (NBWL): প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা যা বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ নীতির উপর পরামর্শ দেয়।
- রাজ্য বন্যপ্রাণী বিভাগ: বন্যপ্রাণী আইন বাস্তবায়ন এবং সুরক্ষিত এলাকা পরিচালনার জন্য দায়ী।
আন্তর্জাতিক বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ উদ্যোগ
- বিপন্ন প্রজাতির আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্পর্কিত কনভেনশন (CITES): একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা নিশ্চিত করে যে বন্য প্রাণী এবং উদ্ভিদের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য তাদের বেঁচে থাকার জন্য হুমকি না হয়। ভারত একটি স্বাক্ষরকারী।
- জৈবিক বৈচিত্র্য সম্পর্কিত কনভেনশন (CBD): তিনটি প্রধান লক্ষ্য সহ একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি: জৈবিক বৈচিত্র্যের সংরক্ষণ, এর উপাদানগুলির টেকসই ব্যবহার এবং জিনগত সম্পদ থেকে সুবিধার ন্যায্য ভাগাভাগি।
- প্রকৃতি সংরক্ষণের জন্য আন্তর্জাতিক ইউনিয়ন (IUCN): প্রাকৃতিক বিশ্বের অবস্থার উপর একটি বৈশ্বিক কর্তৃপক্ষ, যা IUCN হুমকিপ্রাপ্ত প্রজাতির লাল তালিকা রক্ষণাবেক্ষণ করে।
বায়ু দূষণ ও শীতকালীন কর্মপরিকল্পনা
জাতীয় পরিচ্ছন্ন বায়ু কর্মসূচি (NCAP)
ভারতের বায়ু দূষণ সংকট, বিশেষ করে সিন্ধু-গাঙ্গেয় সমভূমিতে, বেশ কয়েকটি নীতি হস্তক্ষেপকে প্ররোচিত করেছে। জাতীয় পরিচ্ছন্ন বায়ু কর্মসূচি (NCAP) ২০১৯ সালে চালু হয়েছিল যার লক্ষ্য ছিল ২০২৪ সালের মধ্যে PM2.5 এবং PM10 ঘনত্ব ২০-৩০% হ্রাস করা (২০২৬ সালের মধ্যে ৪০% এ সংশোধিত)। কর্মসূচিটি ১৩১টি নন-অ্যাটেইনমেন্ট শহরকে কভার করে — যে শহরগুলি ধারাবাহিকভাবে জাতীয় পরিবেষ্টিত বায়ু গুণমান মান (NAAQS) লঙ্ঘন করে।
WBCS ২০২৩-এ পরীক্ষিত: প্রশ্নটি জিজ্ঞাসা করেছিল কোন রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি '১৫-দফা শীতকালীন কর্মপরিকল্পনা' চালু করেছে। সঠিক উত্তর হল উপরের সবগুলি — অর্থাৎ পরিকল্পনাটি একাধিক রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল দ্বারা চালু করা হয়েছিল। নির্দিষ্ট বিকল্পগুলির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিল:
- (i) দিল্লি
- (ii) পাঞ্জাব
- (iii) হরিয়ানা
১৫-দফা শীতকালীন কর্মপরিকল্পনা হল দিল্লি সরকার (এবং পরবর্তীকালে প্রতিবেশী রাজ্যগুলি দ্বারা গৃহীত) দ্বারা শীতকালীন বায়ু দূষণ মোকাবেলায় বাস্তবায়িত ব্যবস্থার একটি বিস্তৃত সেট। মূল ব্যবস্থাগুলির মধ্যে রয়েছে:
- আতশবাজি নিষিদ্ধ।
- গ্রেডেড রেসপন্স অ্যাকশন প্ল্যান (GRAP) কঠোরভাবে প্রয়োগ।
- নির্মাণ সাইটে অ্যান্টি-স্মগ বন্দুক ব্যবহার।
- রাস্তার উন্নত যান্ত্রিক ঝাড়ু।
- অপ্রয়োজনীয় ট্রাকের প্রবেশ নিষিদ্ধ।
- বৈদ্যুতিক যানবাহনের প্রচার।
- খড় পোড়ানোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা।
- দূষণ হটস্পটগুলির রিয়েল-টাইম মনিটরিং।
মূল অন্তর্দৃষ্টি: WBCS-এ "উপরের সবগুলি" উত্তর প্যাটার্ন সাধারণ যখন একাধিক বিকল্প বাস্তবিকভাবে সঠিক হয়। প্রশ্নটি পরীক্ষা করে যে আপনি জানেন কিনা শীতকালীন কর্মপরিকল্পনা শুধুমাত্র দিল্লির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় — এটি প্রতিবেশী রাজ্যগুলির (পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ) সাথে সমন্বয় জড়িত যারা খড় পোড়ানোর মাধ্যমে দিল্লির দূষণে অবদান রাখে।
গ্রেডেড রেসপন্স অ্যাকশন প্ল্যান (GRAP)
GRAP হল বায়ু দূষণের তীব্রতার ভিত্তিতে জাতীয় রাজধানী অঞ্চলে (NCR) বাস্তবায়িত জরুরি ব্যবস্থার একটি সেট। এটি প্রথম ২০১৭ সালে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছিল এবং ২০২২ সালে সংশোধিত হয়েছিল। GRAP-এর চারটি স্তর রয়েছে:
- স্তর I (দরিদ্র AQI ২০১-৩০০): NAAQS কঠোরভাবে প্রয়োগ, খোলা পোড়ানো নিষিদ্ধ।
- স্তর II (অতি দরিদ্র AQI ৩০১-৪০০): ডিজেল জেনারেটর নিষিদ্ধ, গণপরিবহন বৃদ্ধি।
- স্তর III (গুরুতর AQI ৪০১-৪৫০): নির্মাণ ও ভাঙা নিষিদ্ধ, স্কুল বন্ধ।
- স্তর IV (গুরুতর+ AQI >৪৫০): ট্রাক প্রবেশ নিষিদ্ধ, ৫০% অফিসের জন্য ওয়ার্ক-ফ্রম-হোম।
রাজ্য-নির্দিষ্ট বায়ু দূষণ উদ্যোগ
- দিল্লি: ১৫-দফা শীতকালীন কর্মপরিকল্পনা, জোড়-বিজোড় যানবাহন রেশনিং প্রকল্প, স্মগ টাওয়ার।
- পাঞ্জাব: ফসলের অবশিষ্ট ব্যবস্থাপনা প্রোগ্রাম, খড় ব্যবস্থাপনার জন্য ভর্তুকিযুক্ত যন্ত্রপাতি।
- হরিয়ানা: খড় পোড়ানো নিষিদ্ধ, ধানের খড়ের বিকল্প ব্যবহারের প্রচার।
- পশ্চিমবঙ্গ: রাজ্যের নিজস্ব বায়ু দূষণ মনিটরিং নেটওয়ার্ক রয়েছে এবং কলকাতা ও হাওড়ায় ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করেছে।
বনভূমি মূল্যায়ন ও রাজ্য-স্তরের প্রবণতা
বন জরিপ ভারত (FSI)
বন জরিপ ভারত (FSI) হল পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রক (MoEFCC)-এর অধীনে একটি সংস্থা যা ভারতে বনভূমির দ্বিবার্ষিক মূল্যায়ন পরিচালনা করে। ইন্ডিয়া স্টেট অফ ফরেস্ট রিপোর্ট (ISFR) প্রতি দুই বছর প্রকাশিত হয় এবং রাজ্য ও জেলা-ভিত্তিক তথ্য প্রদান করে:
- বনভূমি: ১ হেক্টরের বেশি জমি যার গাছের ছাউনি ঘনত্ব >১০%।
- বৃক্ষাচ্ছাদন: রেকর্ডকৃত বন এলাকার বাইরে গাছের প্যাচ।
- ম্যানগ্রোভ আচ্ছাদন: উপকূলীয় এলাকায় ম্যানগ্রোভ বন।
- বনের ধরন: জলবায়ু, ভূসংস্থান এবং প্রজাতির গঠনের উপর ভিত্তি করে শ্রেণীবিভাগ।
WBCS ২০১৬-এ পরীক্ষিত: প্রশ্নটি জিজ্ঞাসা করেছিল FSI অনুসারে গত দুই বছরে কোন রাজ্য(গুলি) বনভূমি বৃদ্ধি দেখিয়েছে। যদিও এই নির্দিষ্ট প্রশ্নের উত্তর চাবি প্রদত্ত ডেটা থেকে অনুপস্থিত, আমরা ঐতিহাসিক ISFR প্রবণতার উপর ভিত্তি করে সঠিক উত্তর অনুমান করতে পারি।
ভারতীয় রাজ্যগুলিতে বনভূমির প্রবণতা
ISFR রিপোর্ট ২০১৫-২০২১-এর উপর ভিত্তি করে, নিম্নলিখিত রাজ্যগুলি ধারাবাহিকভাবে বনভূমি বৃদ্ধি দেখিয়েছে:
- অন্ধ্রপ্রদেশ: বৃহৎ আকারের বৃক্ষরোপণ অভিযানের কারণে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি।
- কর্ণাটক: পশ্চিমঘাট অঞ্চলে বৃদ্ধি।
- কেরালা: বনভূমিতে সামান্য বৃদ্ধি।
- তামিলনাড়ু: পূর্বঘাট এবং বৃক্ষরোপণ এলাকায় বৃদ্ধি।
- পশ্চিমবঙ্গ: মিশ্র প্রবণতা — কিছু জেলায় বৃদ্ধি কিন্তু উন্নয়ন কার্যক্রমের কারণে অন্যগুলিতে হ্রাস।
মূল অন্তর্দৃষ্টি: WBCS ২০১৬ প্রশ্নের জন্য, সঠিক উত্তর সম্ভবত উভয় (A) এবং (C) — তামিলনাড়ু এবং কেরালা — কারণ এই রাজ্যগুলি ISFR ২০১৫ রিপোর্টে ইতিবাচক প্রবণতা দেখিয়েছিল। যাইহোক, যেহেতু উত্তর চাবি অনুপস্থিত, গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হল যে WBCS সাম্প্রতিক ISFR রিপোর্ট থেকে রাজ্য-নির্দিষ্ট বনভূমি প্রবণতা স্মরণ করার আপনার ক্ষমতা পরীক্ষা করে।
বনভূমি পরিবর্তনকে প্রভাবিতকারী উপাদান
- বনায়ন কর্মসূচি: ক্ষতিপূরণমূলক বনায়ন, সবুজ ভারত মিশন, রাজ্য-স্তরের বৃক্ষরোপণ অভিযান।
- বন উজাড়: অবকাঠামো উন্নয়ন, খনি, নগরায়ন, কৃষি সম্প্রসারণ।
- প্রাকৃতিক পুনর্জন্ম: সুরক্ষা এবং ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ক্ষয়প্রাপ্ত বন পুনরুদ্ধার।
- উন্নত পরিমাপ: ভাল স্যাটেলাইট ইমেজরি এবং গ্রাউন্ড-ট্রুথিং কৌশল পূর্বে অরেকর্ডকৃত বনভূমি প্রকাশ করতে পারে।
কাজ করা উদাহরণ ও প্রয়োগ
উদাহরণ ১ — WBCS ২০২১
প্রশ্ন: সুপারসাইক্লোন 'ইয়াস'-এর নামকরণ করেছিল
ছাত্রদের দেখা পছন্দগুলি:
- ভারত
- বাংলাদেশ
- ওমান
- শ্রীলঙ্কা
পদক্ষেপ:
- প্রশ্নটি কী পরীক্ষা করছে: প্রশ্নটি উত্তর ভারত মহাসাগরের জন্য WMO/UNESCAP প্যানেলের অধীনে ঘূর্ণিঝড় নামকরণ প্রথা সম্পর্কে আপনার জ্ঞান পরীক্ষা করে। এটি বিশেষভাবে জিজ্ঞাসা করে কোন দেশ আঞ্চলিক নামকরণ তালিকায় "ইয়াস" নামটি অবদান রেখেছে।
- প্রতিটি ভুল পছন্দ কেন ভুল:
- ভারত: ভারত গতি, মোচা এবং তেজ-এর মতো নাম অবদান রেখেছে, কিন্তু ইয়াস নয়। ভারতের নামগুলি সাধারণত সংক্ষিপ্ত এবং সাংস্কৃতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ (যেমন, মোচা এক ধরনের কফি)।
- ওমান: ওমান মেকুনু এবং লুবানের মতো নাম অবদান রেখেছে, কিন্তু ইয়াস নয়। ওমানের নামগুলি প্রায়শই আরবি শব্দ থেকে উদ্ভূত।
- শ্রীলঙ্কা: শ্রীলঙ্কা আসানি এবং বুরেভির মতো নাম অবদান রেখেছে, কিন্তু ইয়াস নয়।
- সঠিক পছন্দটি কেন সঠিক: বাংলাদেশ আঞ্চলিক নামকরণ তালিকায় "ইয়াস" নামটি অবদান রেখেছে। নামটির অর্থ ফার্সি ভাষায় "জুঁই" এবং এটি বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য প্রতিফলিত করে। বাংলাদেশ ফণী (অর্থ "সাপের ফণা") এবং রেমাল (অর্থ "বালি") সহ আরও কয়েকটি নাম অবদান রেখেছে।
সঠিক উত্তর: বাংলাদেশ
শিক্ষা: ঘূর্ণিঝড় নামকরণ প্রশ্নের জন্য, সাম্প্রতিক ঘূর্ণিঝড়গুলির উৎপত্তি দেশ মুখস্থ করুন যা ভারতকে প্রভাবিত করেছে, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ। একটি মানসিক মানচিত্র তৈরি করুন: ইয়াস → বাংলাদেশ, বুলবুল → পাকিস্তান, আম্ফান → থাইল্যান্ড, রেমাল → ওমান।
উদাহরণ ২ — WBCS ২০১৯
প্রশ্ন: ইস্ট কলকাতা ওয়েটল্যান্ডস ঘোষিত হয়েছে
ছাত্রদের দেখা পছন্দগুলি:
- জীববৈচিত্র্য সাইট
- রামসার সাইট
- পর্যটন সাইট
- বিশ্ব ঐতিহ্য সাইট
পদক্ষেপ:
- প্রশ্নটি কী পরীক্ষা করছে: প্রশ্নটি পরিবেশগত মনোনয়ন সম্পর্কে আপনার জ্ঞান পরীক্ষা করে — বিশেষ করে, ইস্ট কলকাতা ওয়েটল্যান্ডস-এর জন্য সঠিক আন্তর্জাতিক মনোনয়ন। এটি আপনাকে রামসার, বিশ্ব ঐতিহ্য এবং অন্যান্য মনোনয়নের মধ্যে পার্থক্য করতে হবে।
- প্রতিটি ভুল পছন্দ কেন ভুল:
- জীববৈচিত্র্য সাইট: এটি একটি আনুষ্ঠানিক আন্তর্জাতিক মনোনয়ন নয়। ভারতের জৈবিক বৈচিত্র্য আইন, ২০০২-এর অধীনে "জীববৈচিত্র্য ঐতিহ্য সাইট" রয়েছে, কিন্তু ইস্ট কলকাতা ওয়েটল্যান্ডস সেভাবে মনোনীত নয়।
- পর্যটন সাইট: যদিও জলাভূমিগুলি পর্যটকদের আকর্ষণ করে, এটি একটি আনুষ্ঠানিক পরিবেশগত মনোনয়ন নয়। প্রশ্নটি একটি নির্দিষ্ট আইনি/আন্তর্জাতিক অবস্থা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে।
- বিশ্ব ঐতিহ্য সাইট: ইস্ট কলকাতা ওয়েটল্যান্ডস একটি UNESCO বিশ্ব ঐতিহ্য সাইট নয়। সুন্দরবন জাতীয় উদ্যান একটি বিশ্ব ঐতিহ্য সাইট, কিন্তু ইস্ট কলকাতা ওয়েটল্যান্ডস একটি ভিন্ন বাস্তুতন্ত্র।
- সঠিক পছন্দটি কেন সঠিক: ইস্ট কলকাতা ওয়েটল্যান্ডস ২০০২ সালে রামসার কনভেনশনের অধীনে একটি রামসার সাইট হিসাবে মনোনীত হয়েছিল। এই মনোনয়ন একটি জলাভূমি বাস্তুতন্ত্র হিসাবে তাদের আন্তর্জাতিক গুরুত্ব স্বীকার করে যা গুরুত্বপূর্ণ বাস্তুতন্ত্র পরিষেবা প্রদান করে, বিশেষ করে বর্জ্য জল শোধন এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ।
সঠিক উত্তর: রামসার সাইট
শিক্ষা: WBCS সুনির্দিষ্ট মনোনয়ন পরীক্ষা করে। যখন একটি প্রশ্ন একটি পরিবেশগত সাইটের "ঘোষিত" অবস্থা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে, নির্দিষ্ট আইনি কাঠামোটি সন্ধান করুন — জলাভূমির জন্য রামসার, অসামান্য সার্বজনীন মূল্যের সাংস্কৃতিক/প্রাকৃতিক সাইটের জন্য বিশ্ব ঐতিহ্য, টেকসই উন্নয়ন অঞ্চলের জন্য বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ।
উদাহরণ ৩ — WBCS ২০২০
প্রশ্ন: ২০১৯ সালে পশ্চিমবঙ্গে আঘাত হানা গুরুতর ঘূর্ণিঝড়টি ছিল
ছাত্রদের দেখা পছন্দগুলি:
- ফণী
- বুলবুল
- ফিঙ্গে
- সুমি
পদক্ষেপ:
- প্রশ্নটি কী পরীক্ষা করছে: প্রশ্নটি পশ্চিমবঙ্গকে প্রভাবিত করা সাম্প্রতিক ঘূর্ণিঝড় ঘটনা সম্পর্কে আপনার জ্ঞান পরীক্ষা করে, বিশেষ করে ঘটনার বছর এবং ঘূর্ণিঝড়ের নাম।
- প্রতিটি ভুল পছন্দ কেন ভুল:
- ফণী: ঘূর্ণিঝড় ফণী মে ২০১৯ সালে ওড়িশায় আঘাত হানে, পশ্চিমবঙ্গে নয়। এটি একটি অত্যন্ত গুরুতর ঘূর্ণিঝড় ছিল যা ওড়িশার পুরীর কাছে স্থলভাগে আঘাত হানে।
- ফিঙ্গে: এটি একটি বাস্তব ঘূর্ণিঝড়ের নাম নয়। সঠিক বানানটি হল "ফণী" — "ফিঙ্গে" একটি বিভ্রান্তিকর বিকল্প।
- সুমি: এটি উত্তর ভারত মহাসাগরীয় অববাহিকায় একটি বাস্তব ঘূর্ণিঝড়ের নাম নয়। এটি "সামি" বা অন্যান্য একই রকম শোনানো নামের সাথে বিভ্রান্ত হতে পারে।
- সঠিক পছন্দটি কেন সঠিক: ঘূর্ণিঝড় বুলবুল নভেম্বর ২০১৯ সালে পশ্চিমবঙ্গে আঘাত হানে, সুন্দরবনের কাছে স্থলভাগে আঘাত করে। এটি ১১০-১২০ কিমি/ঘণ্টা বাতাসের গতি সহ একটি গুরুতর ঘূর্ণিঝড় হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ হয়েছিল। "বুলবুল" নামটি পাকিস্তান অবদান রেখেছিল।
সঠিক উত্তর: বুলবুল
শিক্ষা: ঘূর্ণিঝড় প্রশ্নের জন্য, নির্দিষ্ট বছর এবং প্রভাবিত রাজ্যের দিকে মনোযোগ দিন। WBCS-এর পশ্চিমবঙ্গ-নির্দিষ্ট ঘটনা পরীক্ষা করার একটি প্যাটার্ন রয়েছে। একটি সময়রেখা তৈরি করুন: ২০১৯ → বুলবুল, ২০২০ → আম্ফান, ২০২১ → ইয়াস।
উদাহরণ ৪ — WBCS ২০২০
প্রশ্ন: জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউট বা NIDM-এর পূর্বের নাম ছিল:
ছাত্রদের দেখা পছন্দগুলি:
- জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র
- জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিষদ
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার জন্য জাতীয় কমিটি
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার উপর জাতীয় টাস্ক ফোর্স
পদক্ষেপ:
- প্রশ্নটি কী পরীক্ষা করছে: প্রশ্নটি ভারতের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কাঠামোর প্রাতিষ্ঠানিক ইতিহাস সম্পর্কে আপনার জ্ঞান পরীক্ষা করে। এটি আপনাকে NIDM-এর পূর্বসূরি প্রতিষ্ঠানটি স্মরণ করতে হবে।
- প্রতিটি ভুল পছন্দ কেন ভুল:
- জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিষদ: এটি যুক্তিযুক্ত শোনায় কিন্তু ভুল। "পরিষদ" পরিভাষাটি অন্যান্য সংস্থার জন্য ব্যবহৃত হয় (যেমন, জাতীয় উন্নয়ন পরিষদ), NIDM-এর পূর্বসূরির জন্য নয়।
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার জন্য জাতীয় কমিটি: "কমিটি" একটি অস্থায়ী বা উপদেষ্টা সংস্থার পরামর্শ দেয়, যেখানে NCDM একটি স্থায়ী প্রতিষ্ঠান ছিল।
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার উপর জাতীয় টাস্ক ফোর্স: টাস্ক ফোর্সগুলি সাধারণত নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে গঠিত অস্থায়ী সংস্থা। NCDM একটি স্থায়ী প্রশিক্ষণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান ছিল।
- সঠিক পছন্দটি কেন সঠিক: NIDM-এর পূর্বের নাম ছিল জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র (NCDM)। NCDM ১৯৯৫ সালে কৃষি মন্ত্রকের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৫-এর পরে, ২০০৬ সালে এটির নামকরণ করে NIDM করা হয় এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনে আনা হয়।
সঠিক উত্তর: জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র
শিক্ষা: প্রাতিষ্ঠানিক ইতিহাস প্রশ্নের জন্য নাম এবং বছরের সুনির্দিষ্ট স্মরণ প্রয়োজন। প্যাটার্নটি হল: NCDM (১৯৯৫) → NIDM (২০০৬)। মনে রাখবেন যে "কেন্দ্র" সঠিক শব্দ, "পরিষদ," "কমিটি," বা "টাস্ক ফোর্স" নয়।
উদাহরণ ৫ — WBCS ২০২৩
প্রশ্ন: কোন রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি '১৫-দফা শীতকালীন কর্মপরিকল্পনা' চালু করেছে?
ছাত্রদের দেখা পছন্দগুলি:
- (i) এবং (ii)
- (ii) এবং (iii)
- (i) এবং (iii)
- উপরের সবগুলি
পদক্ষেপ:
- প্রশ্নটি কী পরীক্ষা করছে: প্রশ্নটি বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং কোন রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল সেগুলি বাস্তবায়ন করেছে সে সম্পর্কে আপনার জ্ঞান পরীক্ষা করে। এটি আপনাকে জানতে হবে যে শীতকালীন কর্মপরিকল্পনা শুধুমাত্র একটি এখতিয়ারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
- প্রতিটি ভুল পছন্দ কেন ভুল:
- (i) এবং (ii): এর অর্থ হবে দিল্লি এবং পাঞ্জাব, হরিয়ানা বাদ দিয়ে। কিন্তু হরিয়ানাও একটি অনুরূপ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে।
- (ii) এবং (iii): এর অর্থ হবে পাঞ্জাব এবং হরিয়ানা, দিল্লি বাদ দিয়ে। কিন্তু দিল্লিই প্রথম পরিকল্পনাটি চালু করেছিল।
- (i) এবং (iii): এর অর্থ হবে দিল্লি এবং হরিয়ানা, পাঞ্জাব বাদ দিয়ে। কিন্তু পাঞ্জাব খড় পোড়ানোর একটি প্রধান অবদানকারী এবং এর নিজস্ব কর্মপরিকল্পনা রয়েছে।
- সঠিক পছন্দটি কেন সঠিক: ১৫-দফা শীতকালীন কর্মপরিকল্পনাটি দিল্লি, পাঞ্জাব এবং হরিয়ানা — উপরের সবগুলি দ্বারা চালু হয়েছিল। পরিকল্পনাটি যানবাহন নির্গমন, শিল্প দূষণ এবং ফসলের অবশিষ্ট পোড়ানো সহ একাধিক উত্স থেকে বায়ু দূষণ মোকাবেলায় জাতীয় রাজধানী অঞ্চল (NCR) এবং প্রতিবেশী রাজ্যগুলি জুড়ে সমন্বিত পদক্ষেপ জড়িত।
সঠিক উত্তর: উপরের সবগুলি
শিক্ষা: যখন একটি প্রশ্ন "উপরের সবগুলি" একটি বিকল্প হিসাবে অফার করে, সাবধানে মূল্যায়ন করুন যে তালিকাভুক্ত সমস্ত বিকল্প বাস্তবিকভাবে সঠিক কিনা। WBCS-এ, এই প্যাটার্নটি প্রায়শই দেখা যায় যখন একাধিক রাজ্য/সত্তা একটি একক উদ্যোগে জড়িত থাকে।
PYQ প্রবণতা ও প্যাটার্ন
বছর-ভিত্তিক বিতরণ
৮টি PYQ ২০১৬ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত বিস্তৃত, নিম্নলিখিত বিতরণ সহ:
- ২০১৬: ১টি প্রশ্ন (বনভূমি বৃদ্ধি)
- ২০১৮: ১টি প্রশ্ন (গ্লোবাল ওয়াইল্ডলাইফ প্রোগ্রাম দলিল)
- ২০১৯: ১টি প্রশ্ন (ইস্ট কলকাতা ওয়েটল্যান্ডস মনোনয়ন)
- ২০২০: ৩টি প্রশ্ন (ঘূর্ণিঝড় বুলবুল, NIDM পূর্বের নাম, NIDM প্রতিষ্ঠার বছর)
- ২০২১: ১টি প্রশ্ন (ঘূর্ণিঝড় ইয়াস নামকরণ)
- ২০২৩: ১টি প্রশ্ন (বায়ু দূষণের জন্য শীতকালীন কর্মপরিকল্পনা)
অসুবিধার গতিপথ
প্রশ্নগুলি বছরের পর বছর ধরে একটি মাঝারি এবং ধারাবাহিক অসুবিধার স্তর দেখায়। ক্রমবর্ধমান অসুবিধার দিকে কোনও প্রবণতা নেই — বরং, WBCS মাঝে মাঝে বিশ্লেষণাত্মক উপাদান সহ সরল তথ্যগত স্মরণ পরীক্ষা করে (যেমন, "উপরের সবগুলি" প্রশ্ন)। অসুবিধাটি কোনও একক বিষয়ের গভীরতার পরিবর্তে কভারেজের বিস্তৃতিতে নিহিত।
তথ্যগত বনাম বিশ্লেষণাত্মক বনাম মিলান বিভাজন
| প্রশ্নের ধরন | সংখ্যা | উদাহরণ |
|---|---|---|
| বিশুদ্ধ তথ্যগত স্মরণ | ৫ | ঘূর্ণিঝড় ইয়াস নামকরণ (২০২১), NIDM পূর্বের নাম (২০২০), NIDM প্রতিষ্ঠার বছর (২০২০), ঘূর্ণিঝড় বুলবুল (২০২০), ইস্ট কলকাতা ওয়েটল্যান্ডস (২০১৯) |
| বিশ্লেষণাত্মক/সম্মিলিত | ২ | গ্লোবাল ওয়াইল্ডলাইফ প্রোগ্রাম দলিল (২০১৮ — উভয় দলিল জানার প্রয়োজন), শীতকালীন কর্মপরিকল্পনা (২০২৩ — তিনটি রাজ্য জানার প্রয়োজন) |
| মিলান/তুলনা | ১ | বনভূমি বৃদ্ধি (২০১৬ — রাজ্য-স্তরের প্রবণতা তুলনা করার প্রয়োজন) |
পুনরাবৃত্ত প্রশ্নের ধরন
- "কোন দেশ এই ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করেছিল?" — ২০২১ সালে উপস্থিত। নতুন ঘূর্ণিঝড়ের সাথে পুনরায় উপস্থিত হওয়ার সম্ভাবনা (যেমন, রেমাল, মোচা)।
- "এই পরিবেশগত সাইটের মনোনয়ন কী?" — ২০১৯ সালে উপস্থিত। নতুন রামসার সাইট বা বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভের সাথে পুনরায় উপস্থিত হতে পারে।
- "এই প্রতিষ্ঠানের পূর্বের নাম কী ছিল?" — ২০২০ সালে উপস্থিত। অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সাথে পুনরায় উপস্থিত হতে পারে (যেমন, NDMA, NDRF)।
- "কোন রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এই প্রকল্প চালু করেছিল?" — ২০২৩ সালে উপস্থিত। অন্যান্য রাজ্য-নির্দিষ্ট পরিবেশগত উদ্যোগের সাথে পুনরায় উপস্থিত হতে পারে।
- "কোন ঘূর্ণিঝড় X বছরে পশ্চিমবঙ্গে আঘাত করেছিল?" — ২০২০ সালে উপস্থিত। আরও সাম্প্রতিক ঘূর্ণিঝড়ের সাথে পুনরায় উপস্থিত হতে পারে (যেমন, ২০২৪ সালে রেমাল)।
প্যাটার্ন কী প্রকাশ করে
WBCS-এর পশ্চিমবঙ্গ-নির্দিষ্ট বিষয়বস্তু (রাজ্যকে প্রভাবিত করা ঘূর্ণিঝড়, ইস্ট কলকাতা ওয়েটল্যান্ডস) এবং জাতীয় প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান (NIDM ইতিহাস)-এর জন্য একটি শক্তিশালী পছন্দ রয়েছে। আন্তর্জাতিক পরিবেশগত ঘটনা (গ্লোবাল ওয়াইল্ডলাইফ প্রোগ্রাম) কম ঘন ঘন উপস্থিত হয় তবে এখনও পরীক্ষিত হয়। পরীক্ষকরা অস্পষ্ট বা অত্যধিক প্রযুক্তিগত প্রশ্ন এড়িয়ে চলেন — তারা পরীক্ষা করেন যা একজন ভালভাবে প্রস্তুত প্রার্থীর সংবাদপত্র এবং সরকারী প্রতিবেদন পড়া থেকে যুক্তিসঙ্গতভাবে জানা উচিত।
আর কী জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে
৮টি PYQ এবং অফিসিয়াল সিলেবাসের পরিধিতে পর্যবেক্ষণ করা প্যাটার্নগুলির উপর ভিত্তি করে, নিম্নলিখিত ভবিষ্যদ্বাণীগুলি ইতিমধ্যে যা পরীক্ষা করা হয়েছে তাতে নোঙর করা হয়েছে:
| ভবিষ্যদ্বাণীকৃত প্রশ্ন কোণ | কেন এটি সম্ভাব্য | প্রস্তুত করার মূল তথ্য |
|---|---|---|
| "ঘূর্ণিঝড় রেমাল (২০২৪)-এর নামকরণ কোন দেশ করেছিল?" | ঘূর্ণিঝড় নামকরণ প্রশ্ন একবার উপস্থিত হয়েছে (ইয়াস, ২০২১)। প্রতি বছর নতুন ঘূর্ণিঝড়ের সাথে, এটি একটি স্বাভাবিক সম্প্রসারণ। | রেমালের নামকরণ করেছিল ওমান। অন্যান্য সাম্প্রতিক ঘূর্ণিঝড়: মোচা (ইয়েমেন), তেজ (ভারত), বিপরজয় (বাংলাদেশ)। |
| "নিম্নলিখিত কোনটি পশ্চিমবঙ্গের একটি রামসার সাইট নয়?" | রামসার সাইট প্রশ্ন একবার উপস্থিত হয়েছে (ইস্ট কলকাতা ওয়েটল্যান্ডস, ২০১৯)। পশ্চিমবঙ্গের ২টি রামসার সাইট রয়েছে — উভয় পরীক্ষা করা একটি যৌক্তিক পরবর্তী পদক্ষেপ। | পশ্চিমবঙ্গের রামসার সাইট: ইস্ট কলকাতা ওয়েটল্যান্ডস (২০০২), সুন্দরবন ওয়েটল্যান্ড (২০১৯)। রাজ্যের অন্যান্য জলাভূমি (যেমন, পূর্বস্থলী) রামসার সাইট নয়। |
| "জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (NDMA) কখন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?" | NIDM-এর ইতিহাস দুবার পরীক্ষা করা হয়েছে (২০২০)। NDMA হল পিতৃ সংস্থা — এর প্রতিষ্ঠার বছর পরীক্ষা করা একটি স্বাভাবিক গভীরতা সম্প্রসারণ। | NDMA ২০০৫ সালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৫-এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। NDRF ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। |
| "গ্লোবাল ওয়াইল্ডলাইফ প্রোগ্রাম ২০১৭-এ নিম্নলিখিত কোন দলিলটি প্রকাশিত হয়েছিল?" | GWP দলিল প্রশ্ন ২০১৮ সালে উপস্থিত হয়েছিল। একটি অনুরূপ প্রশ্ন একই ইভেন্টে প্রকাশিত অন্যান্য দলিল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে পারে। | জাতীয় বন্যপ্রাণী কর্মসূচি (২০১৭-২০৩১) এবং সিকিউর হিমালয়াস উভয়ই প্রকাশিত হয়েছিল। অন্যান্য GWP ফলাফলের মধ্যে ল্যান্ডস্কেপ-স্তরের সংরক্ষণ পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত। |
| "ISFR ২০২৩ অনুসারে কোন রাজ্য সর্বোচ্চ বনভূমি বৃদ্ধি রেকর্ড করেছে?" | বনভূমি প্রশ্ন একবার উপস্থিত হয়েছে (২০১৬)। প্রতি দুই বছর নতুন ISFR রিপোর্টের সাথে, এটি একটি পার্শ্বীয় সম্প্রসারণ। | ISFR ২০২১ অনুসারে: অন্ধ্রপ্রদেশ, কর্ণাটক এবং কেরালা বৃদ্ধি দেখিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ সামান্য হ্রাস দেখিয়েছে। |
| "নিম্নলিখিত কোনটি ১৫-দফা শীতকালীন কর্মপরিকল্পনার অধীনে একটি ব্যবস্থা নয়?" | শীতকালীন কর্মপরিকল্পনা প্রশ্ন ২০২৩ সালে উপস্থিত হয়েছিল। নির্দিষ্ট ব্যবস্থা পরীক্ষা করা একটি নেতিবাচক প্রশ্ন একটি সম্মিলিত সম্প্রসারণ। | ব্যবস্থাগুলির মধ্যে রয়েছে: আতশবাজি নিষিদ্ধ, GRAP প্রয়োগ, অ্যান্টি-স্মগ বন্দুক, যান্ত্রিক ঝাড়ু, অপ্রয়োজনীয় ট্রাক নিষিদ্ধ, EV প্রচার, খড় পোড়ানোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা। |
| "জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউট (NIDM) কোন মন্ত্রকের অধীনে কাজ করে?" | NIDM-এর ইতিহাস পরীক্ষা করা হয়েছে, কিন্তু এর প্রশাসনিক পিতৃত্ব পরীক্ষা করা হয়নি। এটি একটি গভীরতা সম্প্রসারণ। | NIDM স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনে কাজ করে। পূর্বে (NCDM হিসাবে), এটি কৃষি মন্ত্রকের অধীনে ছিল। |
| "নিম্নলিখিত কোন ঘূর্ণিঝড় পশ্চিমবঙ্গে স্থলভাগে আঘাত করেনি?" | ঘূর্ণিঝড় প্রশ্ন দুবার উপস্থিত হয়েছে (২০২০ সালে বুলবুল, ২০২১ সালে ইয়াস)। একাধিক ঘূর্ণিঝড় পরীক্ষা করা একটি তুলনা প্রশ্ন একটি সম্মিলিত সম্প্রসারণ। | পশ্চিমবঙ্গে আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড়: বুলবুল (২০১৯), আম্ফান (২০২০), ইয়াস (২০২১), রেমাল (২০২৪)। যেগুলি আঘাত করেনি: ফণী (ওড়িশা, ২০১৯), তাউকতে (গুজরাট, ২০২১), বিপরজয় (গুজরাট, ২০২৩)। |
সাধারণ ভুল ও ফাঁদ
-
NIDM এবং NDMA গুলিয়ে ফেলা: অনেক ছাত্র জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউট (NIDM — প্রশিক্ষণ ও গবেষণা) এবং জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (NDMA — নীতি ও সমন্বয়) গুলিয়ে ফেলে। মনে রাখবেন: NIDM হল "ইনস্টিটিউট" (প্রশিক্ষণ), NDMA হল "কর্তৃপক্ষ" (নীতি)। NIDM-এর পূর্বসূরি ছিল NCDM (জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র), NDMA-এর সাথে সম্পর্কিত কিছু নয়।
-
"জীববৈচিত্র্য সাইট" একটি আনুষ্ঠানিক মনোনয়ন বলে ধরে নেওয়া: "জীববৈচিত্র্য সাইট" শব্দটি একটি আনুষ্ঠানিক আন্তর্জাতিক বা জাতীয় মনোনয়ন নয়। ভারতের জৈবিক বৈচিত্র্য আইন, ২০০২-এর অধীনে জীববৈচিত্র্য ঐতিহ্য সাইট রয়েছে, কিন্তু ইস্ট কলকাতা ওয়েটল্যান্ডস একটি রামসার সাইট। ছাত্ররা প্রায়শই "জীববৈচিত্র্য সাইট" বেছে নেয় কারণ এটি সঠিক শোনায়, কিন্তু এটি সুনির্দিষ্ট আইনি শব্দ নয়।
-
ভুলে যাওয়া যে ঘূর্ণিঝড়ের নাম দেশগুলি দ্বারা অবদান রাখা হয়, IMD দ্বারা নয়: ভারত আবহাওয়া বিভাগ (IMD) একটি পূর্ব-অনুমোদিত তালিকা থেকে নাম নির্ধারণ করে, কিন্তু নামগুলি নিজেরাই সদস্য দেশগুলি দ্বারা অবদান রাখা হয়। যখন জিজ্ঞাসা করা হয় "ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের নাম কে রেখেছিলেন?", উত্তর হল বাংলাদেশ, IMD নয়।
-
ধরে নেওয়া যে শুধুমাত্র দিল্লির একটি শীতকালীন কর্মপরিকল্পনা রয়েছে: ১৫-দফা শীতকালীন কর্মপরিকল্পনাটি দিল্লি চালু করেছিল, কিন্তু এটি পাঞ্জাব, হরিয়ানা এবং উত্তরপ্রদেশের সাথে সমন্বয় জড়িত। WBCS ২০২৩-এ "উপরের সবগুলি" উত্তরটি পরীক্ষা করেছিল যে ছাত্ররা জানে কিনা একাধিক রাজ্য জড়িত।
-
ঘূর্ণিঝড়ের বছর গুলিয়ে ফেলা: ঘূর্ণিঝড় বুলবুল ২০১৯ সালে আঘাত হানে, ২০২০ সালে নয়। ঘূর্ণিঝড় আম্ফান ২০২০ সালে আঘাত হানে, ২০১৯ সালে নয়। ছাত্ররা প্রায়শই বছরগুলি গুলিয়ে ফেলে কারণ উভয় ঘূর্ণিঝড় পরপর প্রাক-মৌসুমী/পোস্ট-মৌসুমী ঋতুতে ঘটেছিল। একটি সময়রেখা তৈরি করুন: ২০১৯ → বুলবুল (নভেম্বর), ২০২০ → আম্ফান (মে), ২০২১ → ইয়াস (মে)।
-
মনে করা যে NIDM ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন ২০০৫ সালে পাস হয়েছিল, কিন্তু NIDM আনুষ্ঠানিকভাবে ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল যখন এটি NCDM থেকে নামকরণ করা হয়েছিল। প্রশ্নটি বিশেষভাবে NIDM-এর প্রতিষ্ঠার বছর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিল, যা ২০০৬।
-
ধরে নেওয়া যে "উপরের কোনটিই নয়" সবসময় ভুল: গ্লোবাল ওয়াইল্ডলাইফ প্রোগ্রাম প্রশ্নে (২০১৮), "উপরের কোনটিই নয়" একটি বিভ্রান্তিকর বিকল্প ছিল। কিন্তু অন্যান্য প্রসঙ্গে, "উপরের কোনটিই নয়" সঠিক উত্তর হতে পারে। "উপরের কোনটিই নয়" নির্বাচন করার আগে সর্বদা প্রতিটি বিকল্প স্বাধীনভাবে মূল্যায়ন করুন।
-
ভুলে যাওয়া যে বনভূমির তথ্য FSI রিপোর্ট থেকে আসে: বন জরিপ ভারত (FSI) দ্বিবার্ষিকভাবে ইন্ডিয়া স্টেট অফ ফরেস্ট রিপোর্ট (ISFR) প্রকাশ করে। ছাত্রদের সবচেয়ে সাম্প্রতিক ISFR বছর (২০২৩) এবং পশ্চিমবঙ্গ ও প্রতিবেশী রাজ্যগুলির জন্য মূল ফলাফলগুলি জানা উচিত।
স্মৃতি সহায়ক ও মেমোনিক
মেমোনিক ১: ঘূর্ণিঝড় নামকরণকারী দেশগুলির জন্য "CYCLONE" শৃঙ্খল
সহায়কের নাম: "CYCLONE" শৃঙ্খল
মেমোনিক:
- C — ঘূর্ণিঝড়ের নাম আসে WMO/UNESCAP প্যানেলের Countries (দেশ) থেকে।
- Y — Yaas (ইয়াস) বাংলাদেশ থেকে (Y for "Yes, it's from Bangladesh")।
- C — Cyclone Bulbul (বুলবুল) পাকিস্তান থেকে।
- L — Like Amphan (আম্ফান) থাইল্যান্ড থেকে।
- O — Oman (ওমান) দিয়েছে রেমাল।
- N — Never forget (কখনো ভুলবেন না): ভারত দিয়েছে গতি, মোচা, তেজ।
- E — Each name (প্রতিটি নাম) ব্যবহারের পর ১০ বছরের জন্য অবসরপ্রাপ্ত হয়।
এটি কী উন্মোচন করে: পশ্চিমবঙ্গকে প্রভাবিত করা চারটি প্রধান ঘূর্ণিঝড়ের (বুলবুল, আম্ফান, ইয়াস, রেমাল) উৎপত্তি দেশ এবং ঘূর্ণিঝড় নামকরণের সাধারণ নীতি।
কাজ করা উদাহরণ: যদি পরীক্ষা জিজ্ঞাসা করে "ঘূর্ণিঝড় রেমালের নামকরণ কোন দেশ করেছিল?", আপনি CYCLONE-এ "O" স্মরণ করেন → ওমান। যদি জিজ্ঞাসা করা হয় "ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের নামকরণ কোন দেশ করেছিল?", আপনি "C" স্মরণ করেন → পাকিস্তান।
মেমোনিক ২: রামসার সাইট মানদণ্ডের জন্য "WETLAND" সংক্ষিপ্ত রূপ
সহায়কের নাম: "WETLAND" সংক্ষিপ্ত রূপ
মেমোনিক:
- W — Waterbirds (জলপাখি — ২০,০০০+ জলপাখি সমর্থন করে)।
- E — Endangered species (বিপন্ন প্রজাতি — দুর্বল/হুমকিপ্রাপ্ত প্রজাতি সমর্থন করে)।
- T — Threatened ecosystems (হুমকিপ্রাপ্ত বাস্তুতন্ত্র — একটি বিরল জলাভূমি প্রকারের প্রতিনিধিত্ব করে)।
- L — Life support (জীবন সমর্থন — গুরুত্বপূর্ণ বাস্তুতন্ত্র পরিষেবা প্রদান করে)।
- A — Aquatic biodiversity (জলজ জীববৈচিত্র্য — জৈবিক বৈচিত্র্য বজায় রাখে)।
- N — Natural heritage (প্রাকৃতিক ঐতিহ্য — সাংস্কৃতিক বা পরিবেশগত তাৎপর্য রয়েছে)।
- D — Designated (মনোনীত) রামসার কনভেনশন দ্বারা।
এটি কী উন্মোচন করে: একটি রামসার সাইট মনোনীত করার মানদণ্ড, যা আপনাকে বুঝতে সাহায্য করে কেন নির্দিষ্ট জলাভূমি (যেমন ইস্ট কলকাতা ওয়েটল্যান্ডস) এই মনোনয়ন পায়।
কাজ করা উদাহরণ: যদি পরীক্ষা জিজ্ঞাসা করে "কেন ইস্ট কলকাতা ওয়েটল্যান্ডস একটি রামসার সাইট হিসাবে মনোনীত হয়েছিল?", আপনি WETLAND মানদণ্ড ব্যবহার করে ব্যাখ্যা করতে পারেন: তারা জলপাখি সমর্থন করে (W), বর্জ্য জল শোধনের মাধ্যমে জীবন সমর্থন প্রদান করে (L), এবং জলজ জীববৈচিত্র্য বজায় রাখে (A)।
মেমোনিক ৩: "NIDM-NCDM" গল্প শৃঙ্খল
সহায়কের নাম: "NIDM-NCDM" গল্প শৃঙ্খল
মেমোনিক: একটি গল্প কল্পনা করুন: "১৯৯৫ সালে, National Centre of Disaster Management (NCDM) জন্মগ্রহণ করেছিল। কিন্তু ২০০৫ সালের আইনের পরে, এটি বড় হয়ে ওঠে এবং ২০০৬ সালে একটি নতুন নাম পায়: National Institute of Disaster Management (NIDM)। 'C' (Centre) একটি 'I' (Institute) হয়ে গেল, এবং এটি কৃষি থেকে স্বরাষ্ট্রে চলে গেল।"
এটি কী উন্মোচন করে: কালানুক্রমিক ক্রম: NCDM (১৯৯৫) → দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন (২০০৫) → NIDM (২০০৬)।
কাজ করা উদাহরণ: যদি পরীক্ষা জিজ্ঞাসা করে "NIDM-এর পূর্বের নাম কী ছিল?", আপনি গল্পটি স্মরণ করেন: NCDM (জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র)। যদি জিজ্ঞাসা করা হয় "NIDM কখন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?", আপনি গল্প থেকে বছর ২০০৬ স্মরণ করেন।
দ্রুত পুনরালোচনা
ভূমিকা
- এই উপ-বিষয়টি জলবায়ু ঘটনা, পরিবেশগত মনোনয়ন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং নীতি উদ্যোগ কভার করে।
- WBCS ২০১৬-২০২৩ জুড়ে ৮টি প্রশ্ন পরীক্ষা করেছে, পশ্চিমবঙ্গ-নির্দিষ্ট ঘটনা এবং জাতীয় প্রতিষ্ঠানের উপর ফোকাস সহ।
- অসুবিধা মাঝারি — মাঝে মাঝে বিশ্লেষণাত্মক প্রশ্ন সহ তথ্যগত স্মরণ।
মূল ধারণা ও ভিত্তি
- ঘূর্ণিঝড়: বৃহৎ-স্কেল ঘূর্ণায়মান ঝড়, WMO/UNESCAP সদস্য দেশগুলি দ্বারা নামকরণ।
- রামসার সাইট: রামসার কনভেনশনের অধীনে আন্তর্জাতিক গুরুত্বের জলাভূমি।
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৫-এর অধীনে কাঠামো।
- বনভূমি: FSI দ্বারা ISFR রিপোর্টের মাধ্যমে দ্বিবার্ষিক মূল্যায়ন।
- বায়ু দূষণ কর্মপরিকল্পনা: NCAP ২০২৬ সালের মধ্যে PM মাত্রা ৪০% হ্রাস করার লক্ষ্য রাখে।
জলবায়ু ঘটনা ও ঘূর্ণিঝড় নামকরণ
- ঘূর্ণিঝড় ইয়াস (২০২১) নামকরণ করেছিল বাংলাদেশ।
- ঘূর্ণিঝড় বুলবুল (২০১৯) নামকরণ করেছিল পাকিস্তান।
- ঘূর্ণিঝড় আম্ফান (২০২০) নামকরণ করেছিল থাইল্যান্ড।
- ঘূর্ণিঝড় রেমাল (২০২৪) নামকরণ করেছিল ওমান।
- পশ্চিমবঙ্গে আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড়: বুলবুল (২০১৯), আম্ফান (২০২০), ইয়াস (২০২১), রেমাল (২০২৪)।
জলাভূমি ও পরিবেশগত মনোনয়ন
- ইস্ট কলকাতা ওয়েটল্যান্ডস: রামসার সাইট (২০০২)।
- সুন্দরবন ওয়েটল্যান্ড: রামসার সাইট (২০১৯)।
- সুন্দরবন জাতীয় উদ্যান: UNESCO বিশ্ব ঐতিহ্য সাইট (১৯৮৭)।
- ভারতের ৮২টি রামসার সাইট (২০২৪)।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কাঠামো
- NCDM (১৯৯৫) → NIDM (২০০৬)।
- NDMA ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত, প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে।
- NDRF ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত।
- সমস্ত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনে।
বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও বৈশ্বিক উদ্যোগ
- গ্লোবাল ওয়াইল্ডলাইফ প্রোগ্রাম (২০১৭): জাতীয় বন্যপ্রাণী কর্মসূচি এবং সিকিউর হিমালয়াস প্রকাশিত।
- ভারতের বন্যপ্রাণী কাঠামো: বন্যপ্রাণী সুরক্ষা আইন (১৯৭২), প্রজেক্ট টাইগার (১৯৭৩), প্রজেক্ট এলিফ্যান্ট (১৯৯২)।
বায়ু দূষণ ও শীতকালীন কর্মপরিকল্পনা
- ১৫-দফা শীতকালীন কর্মপরিকল্পনা: দিল্লি, পাঞ্জাব, হরিয়ানা দ্বারা চালু।
- GRAP: NCR-এর জন্য চার-স্তরের জরুরি পরিকল্পনা।
- NCAP: ১৩১টি নন-অ্যাটেইনমেন্ট শহর, ২০২৬ সালের মধ্যে ৪০% হ্রাস লক্ষ্য।
বনভূমি মূল্যায়ন
- FSI দ্বিবার্ষিকভাবে ISFR প্রকাশ করে।
- বনভূমি বৃদ্ধি সহ রাজ্য: অন্ধ্রপ্রদেশ, কর্ণাটক, কেরালা।
- পশ্চিমবঙ্গ: মিশ্র প্রবণতা, সাম্প্রতিক রিপোর্টে সামান্য হ্রাস।
কাজ করা উদাহরণ
- ঘূর্ণিঝড় ইয়াস → বাংলাদেশ (২০২১)।
- ইস্ট কলকাতা ওয়েটল্যান্ডস → রামসার সাইট (২০১৯)।
- ঘূর্ণিঝড় বুলবুল → ২০১৯ সালে পশ্চিমবঙ্গ (২০২০)।
- NIDM → পূর্বে NCDM (২০২০)।
- শীতকালীন কর্মপরিকল্পনা → উপরের সবগুলি (দিল্লি, পাঞ্জাব, হরিয়ানা) (২০২৩)।
সাধারণ ভুল
- NIDM এবং NDMA গুলিয়ে ফেলা।
- "জীববৈচিত্র্য সাইট" একটি আনুষ্ঠানিক মনোনয়ন বলে ধরে নেওয়া।
- ভুলে যাওয়া যে ঘূর্ণিঝড়ের নাম দেশগুলি থেকে আসে, IMD থেকে নয়।
- ঘূর্ণিঝড়ের বছর গুলিয়ে ফেলা (বুলবুল ২০১৯, আম্ফান ২০২০)।
- মনে করা যে NIDM ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল (এটি ২০০৬ ছিল)।